বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

গরুর গুঁতো ও ছুরির আঘাতে আহত অন্তত ৮০ জন ঢামেকে


: কোরবানির ঈদের দিনে রাজধানী ও এর আশেপাশের এলাকায় কোরবানি দিতে গিয়ে এবং মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিরা ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা নিয়েছেন।
গরুর গুঁতো ও ছুরির আঘাতে আহত অন্তত ৮০ জন ঢামেকে
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দের দিনে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় কোরবানি দেওয়ার সময় এবং মাংস কাটাকাটি করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন অন্তত ৮০ জন। আহতদের সবাইকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল থেকে কোরবানির প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই আহত ব্যক্তিরা একে একে হাসপাতালে আসতে শুরু করেন। বিকেল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোরবানির পশুর (প্রধানত গরু) অনাকাঙ্ক্ষিত আক্রমণ বা গুঁতোয় আহত হয়েছেন ৬০ জন। অন্যদিকে, মাংস কাটার ভারী দা বা ধারালো ছুরির অসাবধান ব্যবহারের কারণে নিজের হাত-পা কেটে জখম হয়েছেন আরও ২০ জন।

ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া আহতদের মধ্যে রয়েছেন- ফারুক মোল্লা (৫০), মো. আনিছ (৩০), শাহের আলী (৫০), জাহিদ (৪২), মো. হারুন (৪০), মো. তৌহিদ (২৫), রাহাত (২৩), মো. করিম সিকদার (৪২), বেলাল হোসেন (৪০), জুয়েল (৩৮), আবুল কালাম (৪৭), হাফিজুর রহমান (২০), আরজু হোসেন (১৯), তৌহিদ ইসলাম (২০), ইব্রাহিম (২৫), ইছহাক (২৮), আইউব আলী (৫৫), তারিকুল হাওলাদার (২৮), মো. মামুন (২৬), সিহাব (২১), এনায়েত শেখ (৭০), আব্দুল কদ্দুছ (৫৪), নূর মোহাম্মদ (২৩), রাসেল (২১), নাসির হোসেন (২৮) এবং বেল্লাল হাওলাদার (৫০)।

এছাড়াও আহতদের তালিকায় আরও রয়েছেন-নয়ন (১৮), ইউসুফ ব্যাপারী (৫০), নবী হোসেন (৫০), আবদুর রহমান জুয়েল (৪০), শাহিন (২৪), সাদ্দাম (৩০), শামীম (৬২), বিজয় (২৫), শুভ (২৬), দুলাল (৪২), তৌকির (২৩), আকাশ (২২), আনোয়ার (৫২), রকিব (২৪), আইনুল (১৭), মো. জাহিদ (২৫), মুজাহিদ (২১), জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), মোজাম্মেল আশরাফ (৩৮), ফরহাদ শেখ (২১), কালাম (৩৪), আলী মিয়া (৬০), মো. রাসেল (৩৩), বাশার (৫৫), আব্দুস সামাদ (৬০), মিজানুর রহমান (৬০), রাব্বি (২২), সেলিম (৪৩), মো. সাকিল (২৮), ইয়াসিন (৪১), জাহেদ ব্যাপারী (৬০), মির্জা আবদুর রশিদ (৪৮) ও মোতালেব (৫৪)।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মাংস কাটতে গিয়ে যারা আহত হয়েছেন তাদের হাত বা পায়ের আঙুল ও চামড়া কেটে গেছে। আর যারা গরুর গুঁতো খেয়েছেন, তাদের অনেকেই শরীরে ও বুকে আঘাত পেয়েছেন। তবে সৌভাগ্যবশত কারো আঘাতই আশঙ্কাজনক নয়। অধিকাংশকেই প্রয়োজনীয় সেলাই, ব্যান্ডেজ ও প্রাথমিক ওষুধপত্র দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কোরবানি দেওয়ার সময় পশুকে নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং ধারালো অস্ত্র ব্যবহারের সময় আরও বেশি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসকরা।