অস্কারে এআই-এর দাপট রুখতে কঠোর নিয়ম, মানব সৃজনশীলতাকেই অগ্রাধিকার
৩ মে ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের কেউ বাদ পড়বে না বলে জানিয়েছেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার বিকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা খাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া বর্তমানে বিভিন্ন কারণে আটকে আছে। বিশেষ করে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ মামলা জটিলতায় স্থগিত রয়েছে। এই জট কাটাতে পারলে পর্যায়ক্রমে বড় আকারে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হবে। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে দ্রুততার সঙ্গে নেওয়া ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগকেও শৃঙ্খলার মধ্যে এনে সম্পন্ন করা হবে। এর পাশাপাশি আরও ৩২ হাজার ৫০০ শিক্ষক নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে।
ড. মিলন বলেন, ভবিষ্যতে আরও ১৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে প্রায় ৭৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে পাবলিক শিক্ষা ব্যবস্থায়। এছাড়া সরকারি হাইস্কুলে আরও ৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)-এর মাধ্যমে নিয়োগের আশা করা হয়েছিল। তবে তারা সময়মতো তা দিতে না পারলে সরকার বিকল্প হিসেবে বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষক সংকট রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালানো সম্ভব নয়। সরকারের বাজেটে কোনো ঘাটতি নেই, তাই দ্রুত পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষাখাতে কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।