বিসিবির এডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ, হাইকোর্টে রিট
১ মে ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১ মে) ফ্লোরিডা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট বৃষ্টির ভাইকে ফোন করে মরদেহ শনাক্তের বিষয়টি জানায়।
পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মিয়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে।
নিহত নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি ও জামিল আহমেদ লিমন-দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার পিএইচডি শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ১৬ এপ্রিল তারা নিখোঁজ হন। প্রায় ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর ২৪ এপ্রিল টাম্পা বে এলাকায় একটি সেতুর কাছ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একইদিন লিমনের রুমমেট মার্কিন নাগরিক হিশাম আবুঘরবেহকে সন্দেহভাজন খুনি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।
২৬ এপ্রিল হিলসবরো কাউন্টি আদালতে দাখিল করা নথিতে উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতে লিমনকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হিশাম আবুঘরবেহর বিরুদ্ধে দুটি প্রথম-ডিগ্রি পরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এর আগে হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের স্থানসংলগ্ন এলাকা থেকে আরও একটি অজ্ঞাত দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তদন্তে দেখা যায়, ওই মরদেহের পরনে থাকা পোশাকের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজে শেষবার দেখা নাহিদা বৃষ্টির পোশাকের মিল রয়েছে।
একটি ফৌজদারি মামলার হলফনামায় বলা হয়েছে, ২৬ এপ্রিল হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের দক্ষিণে খণ্ডিত দেহাবশেষ উদ্ধার করা হয়। নজরদারি ক্যামেরায় দেখা পোশাকের সঙ্গে এর মিল থাকায় শুরু থেকেই ধারণা করা হচ্ছিল, এটি নাহিদা বৃষ্টির মরদেহ হতে পারে। পরবর্তীতে পুলিশ তা নিশ্চিত করে।
এদিকে জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ শনিবার (২ মে) ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। জানা গেছে, মরদেহটি দুবাই হয়ে সোমবার (৪ মে) ঢাকায় পৌঁছাবে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি উঠেছে।