শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ


পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে জাতীয় কমিটি। এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা ফিতরা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১:৫৬ অপরাহ্ণ 

এ বছর ফিতরা সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা নির্ধারণ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পবিত্র রমজান উপলক্ষে ১৪৪৭ হিজরি সনের সাদাকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে জাতীয় সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটি। এ বছর জনপ্রতি সর্বনিম্ন ফিতরা ১১০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছর (২০২৫)ও সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ হার একই ছিল।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাদাকাতুল ফিতর নির্ধারণ কমিটির সভাপতি ও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মাওলানা আবদুল মালেক। বৈঠকে কমিটির সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে খতিবের পক্ষে বক্তব্য পাঠ করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ হারুনূর রশীদ।

সভায় সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত হয়, ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সামর্থ্যবান মুসলমানরা গম, আটা, যব, খেজুর, কিসমিস ও পনির- এই ছয়টি পণ্যের যেকোনো একটি নির্ধারিত পরিমাণ বা তার বাজারমূল্য হিসেবে ফিতরা আদায় করতে পারবেন।

ঘোষণা অনুযায়ী- 

গম ও আটা: অর্ধ সা’ বা ১ কেজি ৬৫০ গ্রাম। এর বাজারমূল্য ধরা হয়েছে ১১০ টাকা (প্রতি কেজি ৬৫ টাকা হিসেবে)।

যব: এক সা’ বা ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম। এর বাজারমূল্য ৫৯৫ টাকা (প্রতি কেজি ১৮০ টাকা হিসেবে)।

কিসমিস: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা এর বাজারমূল্য ২ হাজার ৬৪০ টাকা (প্রতি কেজি ৮০০ টাকা হিসেবে)।

খেজুর: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২ হাজার ৪৭৫ টাকা (প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা হিসেবে)।

পনির: ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বা ২ হাজার ৮০৫ টাকা (প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা হিসেবে)।

কমিটির সভাপতি মুফতি আবদুল মালেক জানান, নির্ধারিত পণ্যের স্থানীয় খুচরা বাজারমূল্যের তারতম্য হতে পারে। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় বাজারদর অনুযায়ী ফিতরা আদায় করলেও তা সহিহ হবে।

উল্লেখ্য, সাদাকাতুল ফিতর ঈদের নামাজের আগে আদায় করা ওয়াজিব। এর মাধ্যমে রোজার ত্রুটি-বিচ্যুতি থেকে পবিত্রতা অর্জন এবং দরিদ্র মানুষের ঈদের আনন্দে শরিক হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।