ঢাকাসহ ৫ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা, থাকতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি
৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
প্রয়োজনীয় ভাতা,নিরাপত্তা এবং পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র সংগ্রহে জটিলতা নিরসন না হলে শেষ মুহুর্তে নিজেদের মোতায়েনকৃত দেশব্যাপী সকল পর্যবেক্ষক প্রত্যাহার করে নেবার মতো কঠোর অবস্থানে যেতে পারে নির্বাচন কমিশন কতৃক নিবন্ধিত স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থা সমূহ।
নির্বাচন কমিশন কতৃক নিবন্ধিত সংস্থাসমূহের সর্ববৃহৎ কার্য্যকর জোট ইলেকশন অবজার্ভার সোসাইটি ( ই ও এস) সভাপতি মো: ইকবাল হোসেন হীরা জানান জোটের ভিতর এবং বাইরের সকল সংস্থাগুলোই তাদের দাবী নিয়ে একমত এবং নিবন্ধিত সকল সংস্থাসমুহের প্রধান / নির্বাহী প্রধানগণ আগামী রবিবার বেলা ১২ টায় নির্বাচন কমিশনে আসবেন। তিনি বলেন নির্বাচন নিয়ে খরচের কোন অভাব নাই! প্রচারণার জন্য শত শত কোটি টাকা খরচ হচ্ছে বিক্ষিপ্তভাবে অথচ খোদ কমিশনের কাছেই ৩০০ আসনে ৫৫০০০ এর অধিক পর্যবেক্ষকের তালিকা রয়েছে যারা প্রচারণার কাজটা অন্তত দ্রুততম সময়ে কার্য্যকরভাবে করতে সক্ষম। কমিশন জানে এইবার অধিকাংশ সংস্থাই নতুন এবং কোন অর্থ সহায়তাও নাই তথাপি তারা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য হোস্টিং সুবিধা দিলেও স্থানীয়দের প্রতি চূড়ান্ত অবজ্ঞা প্রদর্শন করছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের ভোটকেন্দ্রে কোনরুপ বাধাপ্রদান করলে সেটাকে আইনত দণ্ডনীয় বলে পরিপত্র প্রকাশ করলেও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রে অনুরুপ বিধান অনুপস্থিত পাশাপাশি পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র শতভাগ অনলাইনে দেওয়া হয়েছে যা বেশ জটিল,সময় সাপেক্ষ। এটাও অনলাইন - অফলাইন দুইভাবেই দেওয়ার কথা ছিলো কিন্তু অদ্যাবধি তা করা হয়নাই।সর্বোপরি নির্বাচন কমিশনের সহযোগী হলো স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থাসমূহ কিন্তু নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে মনে হচ্ছে স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা কমিশনের শত্রু ফলে স্থানীয় পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রধানগণ কঠোর অবস্থানে যাওয়ার বিষয়ে একমত পোষন করেছেন।আগামী রবিবার বেলা ১২ টায় নির্বাচন কমিশনের সামনে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর স্মারকলিপি পেশ করবেন।দাবী আদায় না হলে নিজেদের সকল পর্যবেক্ষক প্রত্যাহার করে নেবার মতো সিদ্ধান্ত নিতে তারা প্রস্তুত।