এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে সরকার, নির্বাচন কমিশন, পুলিশসহ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী- সবাই আগ্রহী এবং প্রস্তুত। ফলে নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুর জেলা পরিদর্শনকালে তিন বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, “সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার সক্ষমতা আমাদের রয়েছে। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশসহ বিভিন্ন মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের চেষ্টা হতে পারে- এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করেছি। কিছু অপরাধী থাকতে পারে, তবে সবাই এমন অপকর্মে জড়াবে না।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের দিন যারা ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেবে, ভয়ভীতি দেখাবে কিংবা সহিংসতায় জড়াবে, তাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। “অপরাধ করলে আইনে যতটুকু শাস্তির বিধান আছে, ততটুকুই দেওয়া হবে,” বলেন তিনি।
সভায় নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান বলেন, দুষ্কৃতকারীদের আটক করতে দিন-রাত বিভিন্ন সময়ে অভিযান চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, “অপরাধীরা যেন সবসময় ভয় ও আশঙ্কার মধ্যে থাকে- সে পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। আমাদের লক্ষ্য একটাই- সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন।”
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাধারণ ভোটারদের মনে আস্থা তৈরি করা জরুরি। তিনি মাঠে দায়িত্বপ্রাপ্ত বাহিনীর সদস্যদের দৃশ্যমান উপস্থিতি বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, পরিদর্শনকালে তিন বাহিনীর প্রধান বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা বিভাগের গাজীপুর, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার সামরিক, বেসামরিক প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
আইএসপিআর আরও জানায়, তিন বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে পেশাদারত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।