বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬

আগস্টের শেষেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, মিলবে সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার


চলতি আগস্ট মাসের শেষ দিকে প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। এটিএম কার্ডের মতো ব্যবহারযোগ্য এ কার্ডের মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেনের পাশাপাশি দেশে ফিরে সরকারি বিভিন্ন সেবা গ্রহণে সুবিধা পাবেন প্রবাসীরা। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতেও কার্ডধারীরা অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:১১ অপরাহ্ণ 

আগস্টের শেষেই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’, মিলবে সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

চলতি আগস্ট মাসের শেষ দিকে প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর।

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

নুরুল হক নুর বলেন, ‘প্রবাসী কার্ড’ এটিএম কার্ডের মতো ব্যবহার করা যাবে। এর মাধ্যমে প্রবাসীরা ব্যাংকিং লেনদেনের সুবিধা পাবেন। একই সঙ্গে দেশে ফিরে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান ও সরকারি সেবা গ্রহণেও কার্ডটি কাজে লাগবে।

তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলেও ‘প্রবাসী কার্ড’ধারী প্রবাসীরা অগ্রাধিকার পাবেন। দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য বিভিন্ন সেবা আরও সহজ ও কার্যকর করতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু হলে প্রবাসীদের জন্য ব্যাংকিংসহ সরকারি বিভিন্ন সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে।

আলোচনা সভায় উদ্বোধক ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন। প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন ও মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম ইরাদত মানু।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মুন্সীগঞ্জ জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মুহাম্মদ রাজু। এ সময় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও ভবিষ্যৎ নিয়ে বক্তারা আলোচনা করেন।

আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে আর্থিক অনুদান ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।