মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বরেকর্ড: ৪১ বছর বয়সে রোনালদোর জোড়া গোল
২৬ জুন ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে শুক্রবার (২৬ জুন) ‘ইন্টারন্যাশনাল ডে ইন সাপোর্ট অব ভিক্টিমস অব টর্চার-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ শীর্ষক এই সংলাপটির আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, "গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের কষ্ট ও অপূরণীয় ক্ষতি সম্পূর্ণ দূর করা সম্ভব নয়। তবে রাষ্ট্র ও সরকার হিসেবে আমরা সর্বদা আপনাদের পাশে আছি। এই পরিবারগুলোর জীবিকা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি বাজেটেই বিশেষ ভাতার ব্যবস্থা রাখার জন্য সরকারের কাছে জোর সুপারিশ করা হবে।" তিনি আরও যোগ করেন, গুমের মতো জঘন্য অপরাধের শিকার নাগরিকদের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে এবং এর পেছনে দায়ীদের আইনের আওতায় আনতে সরকার আইনানুগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে। সকল প্রকার অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে সরকার ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর পাশে থাকবে।
সংলাপে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, "এখন আর কেবল অশ্রুপাত করার সময় নয়; এখন সময় অধিকার আদায় এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার।" তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করার তাগিদ দেন এবং গুমের ঘটনা তদন্তে ও ভুক্তভোগীদের সহায়তায় একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সংলাপের মূল অংশে বিগত স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুমের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। তারা বিগত বছরগুলোতে নিজেদের অবর্ণনীয় কষ্ট, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে ভুক্তভোগীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান।