শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

তীব্র গরমে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি: জেনে নিন লক্ষণ ও বাঁচার উপায়


গরমের তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে এখন সবচেয়ে বড় আতঙ্কের নাম 'হিট স্ট্রোক'। একটু অসচেতনতার কারণেই যেকোনো সময় যে কেউ এতে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে সঠিক সময়ে পর্যাপ্ত পানি ও স্যালাইন পান করা, ছাতা ব্যবহার এবং রোদে কম বের হওয়ার মাধ্যমে এই মারাত্মক ঝুঁকি থেকে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব।

৩ জুলাই ২০২৬, ২:৫৯ অপরাহ্ণ 

তীব্র গরমে বাড়ছে হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি: জেনে নিন লক্ষণ ও বাঁচার উপায়
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশজুড়ে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে দেশজুড়ে বাড়ছে ‘হিট স্ট্রোক’-এর মারাত্মক ঝুঁকি। চিকিৎসকদের মতে, হিট স্ট্রোক কোনো সাধারণ অসুস্থতা নয়, এটি একটি লাইফ-থ্রেটেনিং বা প্রাণঘাতী জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি। একটু অসচেতনতার কারণে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় বিপদ। তাই এই সময়ে সুস্থ থাকতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

হিট স্ট্রোক কী এবং কেন হয়?
মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাধারণত ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। কিন্তু তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে দেহের মূল তাপমাত্রা যদি ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা তার বেশি হয়ে যায়, তখন তাকে ‘হিট স্ট্রোক’ বলা হয়। শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এবং ঘামের মাধ্যমে নিজেকে শীতল করতে ব্যর্থ হলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আগে শরীর কিছু উপসর্গ দেয়, যা দেখা মাত্রই সতর্ক হতে হবে:

১।শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে চলে যাওয়া।

২।প্রচণ্ড মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৩।ত্বক লালচে, গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া।

৪।হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া।

৫।আচরণগত পরিবর্তন, প্রলাপ বকা, তীব্র বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

তীব্র এই গরমে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষজ্ঞরা নিম্নলিখিত নির্দেশনাগুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন: 

প্রচুর পানি ও তরল খাবার পান করুন: তৃষ্ণা না লাগলেও সারাদিন ঘন ঘন পানি পান করুন। ঘামের সাথে শরীর থেকে হারিয়ে যাওয়া লবণ ও খনিজের ঘাটতি পূরণে খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ঘরে তৈরি ঘোল পান করুন। তবে অতিরিক্ত চা, কফি বা চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

রোদে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন: তীব্র রোদের সময়, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খুব বেশি প্রয়োজন না হলে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন। বাইরে বের হতেই হলে সাথে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস এবং টুপি বা ক্যাপ রাখুন। গরমের দিনগুলোতে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা এবং সুতি কাপড় পরিধান করুন। সিন্থেটিক বা গাঢ় রঙের পোশাক তাপ বেশি শোষণ করে।

সহজপাচ্য খাবার খান: এই সময়ে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া এবং বাসি খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। তরমুজ, শসা, লাউয়ের মতো পানিজাতীয় ফল ও সবজি বেশি খান। 

কেউ আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?
যদি আপনার সামনে কেউ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, তবে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন:
১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত রোদ থেকে সরিয়ে কোনো ঠান্ডা, ছায়াযুক্ত বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্থানে নিয়ে যান।
২. শরীরের অতিরিক্ত কাপড় খুলে দিন বা ঢিলেঢালা করে দিন।
৩. ভেজা কাপড় দিয়ে পুরো শরীর বারবার মুছে দিন। সম্ভব হলে মাথায় ঠান্ডা পানি দিন বা ঘাড় ও বগলে বরফের প্যাক দিন।
৪. রোগী যদি সচেতন থাকেন এবং গিলতে পারেন, তবে তাকে ধীরে ধীরে পানি বা স্যালাইন পান করান। অজ্ঞান অবস্থায় কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না।
৫. অবস্থার উন্নতি না হলে বা রোগী অচেতন হয়ে পড়লে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের বার্তা: শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ এবং যারা রোদে দীর্ঘক্ষণ কায়িক পরিশ্রম করেন (যেমন: রিকশাচালক, দিনমজুর, কৃষক) তারা হিট স্ট্রোকের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এই তীব্র গরমে নিজে সচেতন থাকুন এবং চারপাশের মানুষের প্রতি খেয়াল রাখুন।

দেশজুড়ে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে দেশজুড়ে বাড়ছে ‘হিট স্ট্রোক’-এর মারাত্মক ঝুঁকি। চিকিৎসকদের মতে, হিট স্ট্রোক কোনো সাধারণ অসুস্থতা নয়, এটি একটি লাইফ-থ্রেটেনিং বা প্রাণঘাতী জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি। একটু অসচেতনতার কারণে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় বিপদ। তাই এই সময়ে সুস্থ থাকতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

হিট স্ট্রোক কী এবং কেন হয়?

মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাধারণত ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। কিন্তু তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে দেহের মূল তাপমাত্রা যদি ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা তার বেশি হয়ে যায়, তখন তাকে ‘হিট স্ট্রোক’ বলা হয়। শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এবং ঘামের মাধ্যমে নিজেকে শীতল করতে ব্যর্থ হলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।

প্রধান লক্ষণসমূহ

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আগে শরীর কিছু উপসর্গ দেয়, যা দেখা মাত্রই সতর্ক হতে হবে:

  • শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে চলে যাওয়া।

  • প্রচণ্ড মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

  • ত্বক লালচে, গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া (অনেক সময় ঘাম হওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়)।

  • হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া।

  • আচরণগত পরিবর্তন, প্রলাপ বকা, তীব্র বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে চিকিৎসকদের পরামর্শ (করণীয়)

তীব্র এই গরমে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষজ্ঞরা নিম্নলিখিত নির্দেশনাগুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন:

  • প্রচুর পানি ও তরল খাবার পান করুন: তৃষ্ণা না লাগলেও সারাদিন ঘন ঘন পানি পান করুন। ঘামের সাথে শরীর থেকে হারিয়ে যাওয়া লবণ ও খনিজের ঘাটতি পূরণে খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ঘরে তৈরি ঘোল পান করুন। তবে অতিরিক্ত চা, কফি বা চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

  • রোদে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন: তীব্র রোদের সময়, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খুব বেশি প্রয়োজন না হলে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করুন: বাইরে বের হতেই হলে সাথে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস এবং টুপি বা ক্যাপ রাখুন।

  • পোশাক নির্বাচনে সচেতনতা: গরমের দিনগুলোতে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা এবং সুতি কাপড় পরিধান করুন। সিন্থেটিক বা গাঢ় রঙের পোশাক তাপ বেশি শোষণ করে।

  • সহজপাচ্য খাবার খান: এই সময়ে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া এবং বাসি খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। তরমুজ, শসা, লাউয়ের মতো পানিজাতীয় ফল ও সবজি বেশি খান।

  • গাড়িতে শিশু বা পোষা প্রাণী রাখবেন না: লক করা বা পার্কিংয়ে থাকা গাড়ি দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই কোনো অবস্থাতেই শিশু বা পোষা প্রাণীকে গাড়ির ভেতর একা রেখে যাবেন না।

কেউ আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?

যদি আপনার সামনে কেউ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, তবে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন: ১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত রোদ থেকে সরিয়ে কোনো ঠান্ডা, ছায়াযুক্ত বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) স্থানে নিয়ে যান। ২. শরীরের অতিরিক্ত কাপড় খুলে দিন বা ঢিলেঢালা করে দিন। ৩. ভেজা কাপড় দিয়ে পুরো শরীর বারবার মুছে দিন। সম্ভব হলে মাথায় ঠান্ডা পানি দিন বা ঘাড় ও বগলে বরফের প্যাক দিন। ৪. রোগী যদি সচেতন থাকেন এবং গিলতে পারেন, তবে তাকে ধীরে ধীরে পানি বা স্যালাইন পান করান। অজ্ঞান অবস্থায় কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না। ৫. অবস্থার উন্নতি না হলে বা রোগী অচেতন হয়ে পড়লে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের বার্তা: শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ এবং যারা রোদে দীর্ঘক্ষণ কায়িক পরিশ্রম করেন (যেমন: রিকশাচালক, দিনমজুর, কৃষক) তারা হিট স্ট্রোকের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এই তীব্র গরমে নিজে সচেতন থাকুন এবং চারপাশের মানুষের প্রতি খেয়াল রাখুন।

দেশজুড়ে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে জনজীবন ওষ্ঠাগত। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে দেশজুড়ে বাড়ছে ‘হিট স্ট্রোক’-এর মারাত্মক ঝুঁকি। চিকিৎসকদের মতে, হিট স্ট্রোক কোনো সাধারণ অসুস্থতা নয়, এটি একটি লাইফ-থ্রেটেনিং বা প্রাণঘাতী জরুরি চিকিৎসা পরিস্থিতি। একটু অসচেতনতার কারণে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় বিপদ। তাই এই সময়ে সুস্থ থাকতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

হিট স্ট্রোক কী এবং কেন হয়?

মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা সাধারণত ৯৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট। কিন্তু তীব্র গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার কারণে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়লে দেহের মূল তাপমাত্রা যদি ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট (৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা তার বেশি হয়ে যায়, তখন তাকে ‘হিট স্ট্রোক’ বলা হয়। শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলে এবং ঘামের মাধ্যমে নিজেকে শীতল করতে ব্যর্থ হলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়।

প্রধান লক্ষণসমূহ

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আগে শরীর কিছু উপসর্গ দেয়, যা দেখা মাত্রই সতর্ক হতে হবে:

  • শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইটের উপরে চলে যাওয়া।

  • প্রচণ্ড মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

  • ত্বক লালচে, গরম ও শুষ্ক হয়ে যাওয়া (অনেক সময় ঘাম হওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়)।

  • হৃদস্পন্দন ও শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হওয়া।

  • আচরণগত পরিবর্তন, প্রলাপ বকা, তীব্র বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।

হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে চিকিৎসকদের পরামর্শ (করণীয়)

তীব্র এই গরমে নিজেকে ও পরিবারকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষজ্ঞরা নিম্নলিখিত নির্দেশনাগুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন:

  • প্রচুর পানি ও তরল খাবার পান করুন: তৃষ্ণা না লাগলেও সারাদিন ঘন ঘন পানি পান করুন। ঘামের সাথে শরীর থেকে হারিয়ে যাওয়া লবণ ও খনিজের ঘাটতি পূরণে খাবার স্যালাইন, ডাবের পানি, লেবুর শরবত বা ঘরে তৈরি ঘোল পান করুন। তবে অতিরিক্ত চা, কফি বা চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।

  • রোদে বের হওয়া এড়িয়ে চলুন: তীব্র রোদের সময়, বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খুব বেশি প্রয়োজন না হলে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকুন।

  • সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার করুন: বাইরে বের হতেই হলে সাথে অবশ্যই ছাতা, সানগ্লাস এবং টুপি বা ক্যাপ রাখুন।

  • পোশাক নির্বাচনে সচেতনতা: গরমের দিনগুলোতে হালকা রঙের, ঢিলেঢালা এবং সুতি কাপড় পরিধান করুন। সিন্থেটিক বা গাঢ় রঙের পোশাক তাপ বেশি শোষণ করে।

  • সহজপাচ্য খাবার খান: এই সময়ে অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত, ভাজাপোড়া এবং বাসি খাবার পুরোপুরি বর্জন করুন। তরমুজ, শসা, লাউয়ের মতো পানিজাতীয় ফল ও সবজি বেশি খান।

  • গাড়িতে শিশু বা পোষা প্রাণী রাখবেন না: লক করা বা পার্কিংয়ে থাকা গাড়ি দ্রুত গরম হয়ে যায়। তাই কোনো অবস্থাতেই শিশু বা পোষা প্রাণীকে গাড়ির ভেতর একা রেখে যাবেন না।

কেউ আক্রান্ত হলে তাৎক্ষণিক কী করবেন?

যদি আপনার সামনে কেউ হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, তবে দ্রুত নিচের পদক্ষেপগুলো নিন: ১. আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত রোদ থেকে সরিয়ে কোনো ঠান্ডা, ছায়াযুক্ত বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (AC) স্থানে নিয়ে যান। ২. শরীরের অতিরিক্ত কাপড় খুলে দিন বা ঢিলেঢালা করে দিন। ৩. ভেজা কাপড় দিয়ে পুরো শরীর বারবার মুছে দিন। সম্ভব হলে মাথায় ঠান্ডা পানি দিন বা ঘাড় ও বগলে বরফের প্যাক দিন। ৪. রোগী যদি সচেতন থাকেন এবং গিলতে পারেন, তবে তাকে ধীরে ধীরে পানি বা স্যালাইন পান করান। অজ্ঞান অবস্থায় কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না। ৫. অবস্থার উন্নতি না হলে বা রোগী অচেতন হয়ে পড়লে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যান।

বিশেষজ্ঞদের বার্তা: শিশু, বয়োজ্যেষ্ঠ এবং যারা রোদে দীর্ঘক্ষণ কায়িক পরিশ্রম করেন (যেমন: রিকশাচালক, দিনমজুর, কৃষক) তারা হিট স্ট্রোকের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। এই তীব্র গরমে নিজে সচেতন থাকুন এবং চারপাশের মানুষের প্রতি খেয়াল রাখুন।