শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

নতুন করে ছয় দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় নতুন করে ছয়টি দেশ যুক্ত করেছেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদেরসহ কয়েকটি দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।

১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ 

নতুন করে ছয় দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নতুন এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, বিদেশি নাগরিকদের প্রবেশ আরও সীমিত ও নিয়ন্ত্রণে আনতে ট্রাম্প একটি প্রোক্লামেশনে স্বাক্ষর করেছেন। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের।

এই ঘোষণার আওতায় বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজার, দক্ষিণ সুদান ও সিরিয়ার নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের ইস্যু করা ভ্রমণ নথিপত্রধারীদের ক্ষেত্রেও পূর্ণ প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। নতুন এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা দেশের সংখ্যা আরও বেড়েছে।হোয়াইট হাউসের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি অভিবাসন নীতি কঠোর করার বিষয়ে ট্রাম্পের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অবস্থানেরই অংশ। ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জরুরি।

এর আগে গত জুনের প্রথম সপ্তাহে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে ১২টি দেশের নাগরিকদের ওপর পূর্ণ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ওই তালিকায় ছিল আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ও ইয়েমেন। একই সঙ্গে বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।

নতুন ঘোষণার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা কতদিন কার্যকর থাকবে বা বিশেষ কোনো ছাড় দেওয়া হবে কি না , সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস বিস্তারিত কিছু জানায়নি। এর আগেও ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা ও আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব পদক্ষেপকে বরাবরই বৈধ ও প্রয়োজনীয় বলে দাবি করা হয়েছে।