দুপুরের মধ্যে ৫ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা, নৌবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা
২৮ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ
ভয়াবহ হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যার পর এবার তিব্বতে ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। একই সময়ে প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে তৈরি হওয়া একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রতিবন্ধক হ্রদের বাঁধ ভেঙে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে চীন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) মধ্যরাতে উত্তর তিব্বতে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস (জিএফজেড)। এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স।
জিএফজেডের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল বুধবারের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত নেপাল ও চীনের অঞ্চলগুলো থেকে কয়েক শত মাইল উত্তরে। এর আগে বুধবার তিব্বতের নাগকু এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানার তথ্য জানিয়েছিল চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্র। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া এ তথ্য প্রকাশ করে।
এদিকে, তিব্বতে একটি ‘ব্যারিয়ার লেক’ বা প্রাকৃতিকভাবে পানি আটকে তৈরি হওয়া হ্রদের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কায় বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীন চতুর্থ স্তরের ‘ফ্লাড রেসপন্স’ ব্যবস্থা চালু করেছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে হ্রদটির পানির স্তর এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে।
পাশাপাশি সম্ভাব্য ঝুঁকি মূল্যায়ন, পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে একটি বিশেষজ্ঞ দলকে তিব্বতের গিরং কাউন্টিতে পাঠানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক ভয়াবহ হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যার কারণে নেপাল ও চীনের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কার মধ্যেই নতুন করে ভূমিকম্প এবং ব্যারিয়ার লেক ভেঙে যাওয়ার শঙ্কা স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী জরুরি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।