‘সরকারকে অপসারণের সময় এসেছে’-শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর রাহুল গান্ধী
২৪ জুন ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
দেশে দীর্ঘ ১৪ মাস বিরতির পর আগামী ২৮ জুন (রবিবার) দেশব্যাপী জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ক্যাপসুল সংকটের কারণে গত বছরের মার্চ মাসের পর থেকে এই ক্যাম্পেইন বন্ধ ছিল। এবারের ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ২ কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার ৯৭২ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশু (নীল রঙের ক্যাপসুল): ২৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭৯৪ জন।
১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশু (লাল রঙের ক্যাপসুল): ২ কোটি ৫ লাখ Tc৬ হাজার ১৭৮ জন।
ক্যাম্পেইন ব্যবস্থাপনা ও বিশেষ কার্যক্রম: জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে ১ লাখ ২০ হাজার নিয়মিত ইপিআই (EPI) কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ছাড়া লঞ্চঘাট, ফেরীঘাট, রেল ও বাস স্টেশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আরও ৫০০টি মোবাইল কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে ১২টি জেলার ৫৮টি উপজেলার ২৯০টি ইউনিয়নের ৭১৪টি ওয়ার্ডে ক্যাম্পেইন পরবর্তী চারদিন ‘চাইল্ড টু চাইল্ড সার্চিং’ কার্যক্রম চালানো হবে।
২৮ জুন সকালে রাজধানীর শাহবাগস্থ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এই ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার উপস্থিত থাকবেন। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে এর উদ্বোধন করবেন। সিভিল সার্জন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা স্থানীয় পর্যায়ে এবং কেন্দ্রীয় কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে এটি মনিটরিং করবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের প্রচার পত্রে জানানো হয়েছে, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের শুধু অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব থেকেই রক্ষা করে না, বরং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া থেকে সুরক্ষা দেয় এবং শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি কমায়।
উল্লেখ্য, শিশুদের অন্ধত্ব ও পুষ্টিহীনতা দূর করতে বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে ‘জাতীয় রাতকানা রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রম’ নামে প্রথম এই কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে এটি জাতীয় টিকাদান দিবসের সাথে যুক্ত হয় এবং ২০০৩ সাল থেকে ‘জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন’ নামে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০১১ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় পুষ্টিসেবা (এনএনএস) কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হয়।