শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

কলাপাড়ায় ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা


ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কবলে পড়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা। গত দুই দিন ধরে ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা, যার ফলে অনেক স্থানে ৫০ মিটারের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে না। সূর্যের দেখা মিলছে না বেলা বাড়লেও। এতে সড়কপথে যান চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে এবং তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষসহ যানবাহনের চালকরা।

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩:২৬ অপরাহ্ণ 

কলাপাড়ায় ঘন কুয়াশার সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গত দুই দিন ধরে খুব ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। উপজেলার অনেক স্থানে ৫০ মিটারের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে না। বেলা বাড়লেও দেখা মিলছেনা সূর্যের। ঘন কুয়াশার শিশিরে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে গেছে সড়ক। ঘন ও সড়ক পিচ্ছিলের কারনে দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে ধীর গতিতে চলছে যানবাহন। এছাড়া প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে শীতের তীব্রতা।

 রবিবার(২৮ ডিসেম্বর) সকাল নয়টায় কলাপাড়া উপজেলায় সর্বনিম্ন ১১.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে খেপুপাড়া আবহাওয়া অফিস। তীব্র ঠান্ডা ও ঘন কুয়াশায় চরম ভোগান্তি পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষসহ সকল ধরনের যানবাহনের চালকরা। অনেকেই আগুন জালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এদিকে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডা জনিত শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যা।

দিন মজুর আ,সত্তার মিয়া বলেন, এই দুই দিন যাবৎ আমার কেহ কোন কাজে যেতে পারছিনা। আজকে এখনো সূর্যের মুখ দেখতে পারিনি। কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না।আমার মতো অনেকেই কাজে যেতে পাড়ছেনা। ধানখালীর মো,সবুজ মিয়া বলেন,এই কদিন ধরে প্রচুর শীত পড়তেছে। একারনে আমাদের এলাকা গলা ব্যাথা,কাসি সর্দি বেড়ে গেছে। হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত রুগিই বেশি।  খেপুপাড়া রাডার স্টেশনের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর জব্বার শরীফ জানান, আজ সকাল নয়টায় কলাপাড়া উপজেলায় সর্বনিম্ন ১১.৮ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ অবস্থা আরও কিছুদিন থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।