শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

ব্যক্তিস্বার্থে ৩৫৮ কোটি টাকার কেনাকাটা - রেলের সাবেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা


রেলওয়ের লাগেজ ভ্যান প্রকল্পে রাষ্ট্রের ৩৫৮ কোটি টাকার ক্ষতি করার অভিযোগে রেলের সাবেক ডিজি শামসুজ্জামানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। যথাযথ বাজার যাচাই, চাহিদা সমীক্ষা ও পরিকল্পনা ছাড়া ব্যক্তিস্বার্থে ২০২৩ সালে ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ভ্যানগুলো প্রায় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় পড়ে রয়েছে। দুদক বলছে, পরিকল্পিতভাবে লাভ দেখিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সরকারকে বিপুল ক্ষতির মুখে ফেলা হয়েছে।

১৬ নভেম্বর ২০২৫, ৪:২৪ অপরাহ্ণ 

ব্যক্তিস্বার্থে ৩৫৮ কোটি টাকার কেনাকাটা - রেলের সাবেক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রেলওয়ের লাগেজ ভ্যান প্রকল্পে রাষ্ট্রের প্রায় ৩৫৮ কোটি টাকার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে রেলের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) শামসুজ্জামানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রবিবার দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় সাবেক ডিজি শামসুজ্জামান ছাড়াও রেলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান, হারুন অর রশীদ, প্রকল্প পরিচালক আব্দুল মতিন চৌধুরীসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, পণ্য পরিবহন বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩৫৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ১২৫টি লাগেজ ভ্যান ক্রয় করে। কিন্তু প্রকল্প গ্রহণের আগে কৃষক বা ব্যবসায়ীদের চাহিদা, বাজার পরিস্থিতি, পরিবহন প্রয়োজনীয়তা বা প্রযুক্তিগত বাস্তবতা যাচাই করা হয়নি। কারিগরি সহায়তা প্রকল্পে সমীক্ষা থাকলেও তা উপেক্ষা করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকৃত প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও ব্যক্তিস্বার্থে ও অনিয়মের মাধ্যমে লাভ দেখিয়ে ফাইল তৈরি করা হয়। রেলের তৎকালীন কিছু কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে অপ্রয়োজনীয় ১২৫টি লাগেজ ভ্যান কেনার মাধ্যমে রাষ্ট্রের ৩৫৮ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়।

বর্তমানে এসব লাগেজ ভ্যানের বেশিরভাগই ব্যবহারের অভাবে প্রায় নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রেলের ইয়ার্ডে পড়ে আছে।

দুদক বলছে, পরিকল্পিতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সরকারি অর্থের অপচয়ের দায়ে এই মামলার সকল আসামির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।