পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ ছয় মাস (জানুয়ারি–জুন) জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থার অভাবে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার তুলনায় কম হয়েছে। তিনি জানান, সরকার বাজেটে ব্যয় সংকোচন বা কাটছাঁট করলেও ব্যাংক খাত থেকে সরকারের ঋণের হার বেড়েছে।
ড. আহসান এইচ মনসুর আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে করা চুক্তির সব শর্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে পূরণ করেছে। বৈদেশিক মুদ্রাবাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি জানান, গত এক বছরে বাজার থেকে প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার কেনা হয়েছে। তবে এই সময়ে কোনো ডলার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে বিক্রি করা হয়নি।
রেমিট্যান্স প্রবাহ সম্পর্কে গভর্নর বলেন, বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮ শতাংশের বেশি বেড়েছে। চলতি অর্থবছর শেষে দেশে প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমানে প্রচলিত স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হারে কিছু ব্যাংক আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজার বা বেসরকারি খাতে ঋণ দেওয়ার পরিবর্তে তাদের অতিরিক্ত তারল্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে বেশি আগ্রহী হচ্ছে। এতে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারের স্বাভাবিক গতিশীলতা ব্যাহত হচ্ছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নীতি সুদহার করিডোরের নিচু সীমা বা স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি হার ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নীতি সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা বা স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি হার ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ওভারনাইট রেপো হার ১০ শতাংশ অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ঘোষিত এই নতুন মুদ্রানীতি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।