মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬

জাতীয় পতাকা হাতে সর্বাধিক স্কাইডাইভিং: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস


স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহান বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা হাতে সর্বাধিক স্কাইডাইভিং করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্জনের স্বীকৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ণ 

জাতীয় পতাকা হাতে সর্বাধিক স্কাইডাইভিং: গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে বাংলাদেশের নতুন ইতিহাস
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে মহান বিজয় দিবসে এক অনন্য কীর্তি গড়েছে বাংলাদেশ। জাতীয় পতাকা হাতে সর্বাধিক স্কাইডাইভিং (প্যারাশুট জাম্প) করে বিশ্বরেকর্ড অর্জন করেছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এই রেকর্ডের স্বীকৃতি দিয়েছে বলে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আইএসপিআরের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস জানায়, ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসে ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ প্যারাশুট জাম্প অভিযানের মাধ্যমে বাংলাদেশ একসঙ্গে সর্বাধিক ৫৪টি জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিশ্বরেকর্ড গড়ে। এই অর্জন গিনেসের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে “Most Flags Flown Simultaneously While Skydiving (Parachute Jump)” শিরোনামে।

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সাহসী ও দক্ষ স্কাইডাইভারদের অংশগ্রহণে এই ব্যতিক্রমী অভিযানটি পরিচালিত হয়। এতে প্রশিক্ষিত প্যারাট্রুপারদের পাশাপাশি আশিক চৌধুরী (BIDA)-সহ অভিজ্ঞ স্কাইডাইভাররা অংশ নেন। আকাশে ভেসে ওঠা লাল-সবুজের ৫৪টি জাতীয় পতাকা স্বাধীনতার ৫৪ বছরের গৌরবকে প্রতীকীভাবে তুলে ধরে। পুরো উদ্যোগটির পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন (AFD)। সফল এই অভিযানের মাধ্যমে ‘টিম বাংলাদেশ’ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের অফিশিয়াল টাইটেল হোল্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের রেকর্ডস ম্যানেজমেন্ট টিম জানায়, এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের ৫৪তম বিজয় দিবসকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে স্মরণীয় করে তোলা এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তের স্কাইডাইভারদের একত্রিত করে জাতীয় ঐক্য, সাহস ও সক্ষমতার শক্তিশালী বার্তা বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই অর্জন শুধু একটি বিশ্বরেকর্ড নয়; এটি বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। লাল-সবুজের এই গর্বিত মুহূর্ত ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও সাহসিকতায় অনুপ্রাণিত করবে।