পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২৩ নভেম্বর ২০২৫, ১:৪৬ অপরাহ্ণ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল টিএফআই–জেআইসি সেলে গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দুই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আইনজীবী হিসেবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্নাকে স্টেট ডিফেন্স হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। রোববার দুপুরে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ নির্দেশ দেন।
এর আগে সকাল ১০টার দিকে আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত গুম-নির্যাতন অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় সেনাবাহিনীর ১৩ কর্মকর্তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মোট ৩০ আসামির তালিকায় রয়েছেন শেখ হাসিনা, সাবেক প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদসহ তৎকালীন র্যাব–ডিজিএফআইয়ের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা।
ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ১৩ সেনা কর্মকর্তা হলেন র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, কামরুল হাসান, মাহাবুব আলম, কেএম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন, কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সারওয়ার বিন কাশেম, মেজর জেনারেল সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভীর মাজহার সিদ্দিকী।
এদিকে উচ্চপ্রোফাইল আসামিদের ট্রাইব্যুনালে আনা উপলক্ষে সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল এলাকা ও সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি বাড়তি সতর্ক অবস্থানে থাকে।
গত ৮ অক্টোবর পৃথক দুই মামলায় মোট ৩০ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এক মামলায় টিএফআই সেলের গোপন চেম্বারে আটক রেখে নির্যাতনের অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। অন্য মামলায় গুমের অভিযোগে জেআইসি বা আয়নাঘরের বিরুদ্ধে ১৩ জনকে আসামি করা হয়। দ্বিতীয় মামলার অধিকাংশ আসামি পলাতক থাকলেও তিনজন কারাগারে আছেন।