২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ৬৮ বছর পর একই দিনে সব ম্যাচ ড্র
২৫ মে ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জুভেন্টাস সময়ের একটি বিরল ট্রেডিং কার্ড ফুটবল বিশ্বে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। ‘২০১৮ পানিনি কাবুম গ্রিন ১-অব-১’ সংস্করণের বিশেষ এই কার্ডটি সম্প্রতি ১৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। এটিই এখন পর্যন্ত রোনালদোর কোনো ট্রেডিং কার্ডের জন্য পাওয়া সর্বোচ্চ মূল্য।
তবে রোনালদো নিজের রেকর্ড ভাঙলেও ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে দামি কার্ডের রেকর্ডটি এখনো তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির দখলে। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে মেসির একটি রুকি কার্ড (‘২০০৪ পানিনি মেগা ক্রাকস পিএসএ ১০’) বিক্রি হয়েছিল ১৫ লাখ ডলারে, যার বর্তমান বাংলাদেশি বাজারমূল্য প্রায় ১৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
ফুটবল কার্ডের ইতিহাসে প্রথম ১০ লাখ ডলারের সীমা অতিক্রম করার কীর্তি গড়েছিল ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলের একটি রুকি কার্ড। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেটি বিক্রি হয়েছিল ১৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারে। সর্বোচ্চ দামের তালিকায় পেলের কার্ডটি বর্তমানে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এর আগে গত ২২ মে ‘২০১৫ পানিনি ফ্ললেস ফিনিশেস ব্ল্যাক’ সংস্করণের রোনালদোর নিজস্ব অটোগ্রাফসহ একটি কার্ড ৪ লাখ ২০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা তখন পর্যন্ত তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানেই সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়ল জুভেন্টাস সংস্করণের এই কার্ডটি।
সংগ্রাহকদের কাছে এই ‘২০১৮ পানিনি কাবুম গ্রিন ১-অব-১’ কার্ডটি অত্যন্ত মূল্যবান ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। কারণ, বিশ্বজুড়ে এই সংস্করণের মাত্র একটি কপিই তৈরি করা হয়েছিল। কমিক বইধাঁচের চমৎকার নকশার জন্য ‘পানিনি কাবুম’ সিরিজ দীর্ঘদিন ধরেই সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০১৩-১৪ মৌসুমে বাস্কেটবল কার্ডের মাধ্যমে এই ডিজাইনের যাত্রা শুরু হলেও পরে এটি ফুটবলেও ব্যাপক সাড়া ফেলে।
২০১৮ সালে ৫০ জন খেলোয়াড়কে নিয়ে বিশেষ এই সেট বাজারে এনেছিল পানিনি। এটি শুধুমাত্র ‘পানিনি রিওয়ার্ডস’ কর্মসূচির মাল্টিস্পোর্ট প্যাকের মাধ্যমে পাওয়া যেত। সাধারণ সংস্করণের পাশাপাশি এতে যুক্ত করা হয়েছিল একক ‘গ্রিন ১/১’ সংস্করণ, যা এর আকর্ষণ ও মূল্য বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
মাঠের বাইরে কার্ড বিক্রির এই রেকর্ডের পাশাপাশি মাঠের ভেতরেও দারুণ সময় পার করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সম্প্রতি আল নাসরের হয়ে প্রথমবার সৌদি প্রো লিগ জয়ের স্বাদ পেয়েছেন তিনি। এছাড়া ৪১ বছর বয়সেও নিজের ফর্ম ধরে রেখে পর্তুগালের আসন্ন বিশ্বকাপ দলে ডাক পেয়েছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড। কোচ রবার্তো মার্তিনেজের ঘোষিত চূড়ান্ত স্কোয়াডে রোনালদোর উপস্থিতি ফুটবল ভক্তদের মাঝে নতুন উন্মাদনা তৈরি করেছে।