শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু


জাতীয় দলের সাবেক ও বর্তমান অধিনায়কদের সম্মান জানাতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালুর মাধ্যমে ২৭ জন অধিনায়ককে বিশেষ সুবিধা ও স্বীকৃতির আওতায় আনা হয়েছে।

১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৩৩ অপরাহ্ণ 

বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ এক উদ্যোগ হিসেবে জাতীয় দলের অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু করেছে বিসিবি। ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্ড প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ২০ জন সাবেক অধিনায়ক উপস্থিত ছিলেন এবং দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সম্মান জানান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল

১৯৭১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় দলের নেতৃত্ব দেওয়া অধিনায়কদের মধ্যে প্রথম অধিনায়ক শামীম কবির প্রয়াত। অনুষ্ঠানে ছয়জন সাবেক অধিনায়ক উপস্থিত থাকতে পারেননি। তারা হলেন- মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হাসান, ফারুক আহমেদ, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, নাঈমুর রহমান দুর্জয় এবং খালেদ মাসুদ পাইলট

জানা গেছে, সাকিব আল হাসান ও খালেদ মাসুদ পাইলট বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করছেন। আমিনুল ইসলাম বুলবুল অস্ট্রেলিয়ায় ফিরে গেছেন এবং ফারুক আহমেদ দেশে থাকলেও অনুষ্ঠানে যোগ দেননি। ব্যক্তিগত কারণে উপস্থিত থাকতে পারেননি মাশরাফি। অন্যদিকে প্রথম টেস্ট অধিনায়ক নাঈমুর রহমান দুর্জয় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বিসিবি জানিয়েছে, অনুপস্থিত অধিনায়কদের পরিবারের কাছে ক্যাপ্টেন্স কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।

এই কার্ডের মাধ্যমে অধিনায়কেরা দেশের যেকোনো ক্রিকেট ভেন্যুতে খেলা দেখার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি কার্ড ইস্যুর দিন থেকেই তাদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যারা জাতীয় দলের অধিনায়ক হবেন, তারাও অবসর নেওয়ার পর এই সুবিধার আওতায় আসবেন।

উদ্যোগটি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তামিম ইকবাল বলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ যে অবস্থানে পৌঁছেছে, তার পেছনে সাবেক অধিনায়কদের অবদান অপরিসীম। তারা হয়তো বর্তমান সময়ের মতো আর্থিক সুবিধা বা মিডিয়া কাভারেজ পাননি, কিন্তু ভালোবাসা ও নিবেদনের জায়গা থেকেই দেশের জন্য খেলেছেন।

তিনি আরও বলেন, অধিনায়কদের যেন কখনো মাঠে প্রবেশের সময় পরিচয় বা সম্মান নিয়ে অনিশ্চয়তায় না পড়তে হয়, সেটিই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। একজন জাতীয় দলের অধিনায়ককে যেন টিকিটের জন্য লাইনে দাঁড়াতে বা ফোন করতে না হয় -এটি নিশ্চিত করতেই এই ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু করা হয়েছে।