সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

তারেক রহমানকে কটূক্তির মামলায় গ্রেফতার শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে অব্যাহতি


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে গ্রেফতার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপাধ্যক্ষ একেএম শহিদুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা এই আদেশ দেন।

২৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:২১ অপরাহ্ণ 

তারেক রহমানকে কটূক্তির মামলায় গ্রেফতার শিক্ষক শহিদুল ইসলামকে অব্যাহতি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে গ্রেফতার শিক্ষক একেএম শহিদুল ইসলামকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তার অব্যাহতির আদেশ দেন।

মামলার প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক স্বপন জানান, আদালতের আদেশের আগেই আসামিকে বেলবন্ডে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। আদালতের আদেশের পর তিনি মুক্ত হয়েছেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেফতার একেএম শহিদুল ইসলাম রাজধানীর গাবতলী কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপাধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত। শনিবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারতের সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে ‘চাঁদাবাজ’ ও ‘সন্ত্রাসী’ বলে চিৎকার করেন বলে অভিযোগ ওঠে।

এ সময় সেখানে উপস্থিত বিএনপি নেতাকর্মীরা তাকে আটক করে শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে পুলিশ তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

এদিকে ঘটনার পরদিন শনিবার বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সই করা এক বিবৃতিতে একেএম শহিদুল ইসলামের গ্রেফতার ও কারাবাসের সমালোচনা করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক দেশে যে কোনো নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে এবং বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র ও মানুষের বাক্‌স্বাধীনতার পক্ষে সংগ্রাম করে আসছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মতপ্রকাশের কারণে একেএম শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার ও কারাগারে পাঠানো সমীচীন হয়নি। তাকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকারকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানানো হয়।