শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

প্রবাসী আয় বেড়ে ৩১%—নভেম্বরে রেকর্ড ছুঁতে পারে বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়


নভেম্বরে প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.৮ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, যা গত বছরের তুলনায় ৩১% বেশি। প্রতিদিন গড়ে প্রবাহ ১০.৫৬ কোটি ডলার। এ ধারায় মাস শেষে ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম সাড়ে চার মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১,২১৬ কোটি ডলার—যা গত বছরের তুলনায় ১৬.১% বেশি।

২১ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৪ পূর্বাহ্ণ 

প্রবাসী আয় বেড়ে ৩১%—নভেম্বরে রেকর্ড ছুঁতে পারে বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

চলতি নভেম্বরে প্রথম ১৯ দিনেই দেশে এসেছে ২০০ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে যার পরিমাণ প্রায় ২৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ প্রবাহ প্রায় ৩১ শতাংশ বেশি। প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। ব্যাংকখাতের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে নভেম্বরে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ২১৬ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ে এ প্রবাহ ছিল এক হাজার ৪৭ কোটি ডলার। ফলে অর্থবছর–ওয়ারি প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক এক শতাংশ।

রেমিট্যান্স বৃদ্ধির পেছনে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর আগ্রহ বৃদ্ধি, প্রণোদনা, বৈধ পথে পাঠাতে উৎসাহ এবং এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৪–২০২৫ অর্থবছরের মার্চ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ডলারে পৌঁছেছিল, যা ওই অর্থবছরের সর্বোচ্চ রেকর্ড।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় ছিল জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৯ লাখ, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ এবং অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ৩৫ লাখ ডলার।

এর আগের ২০২৩–২০২৪ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলার। ওই অর্থবছরের মাসভিত্তিক রেমিট্যান্স ছিল—জুলাইয়ে ১৯১.৩৭ কোটি, আগস্টে ২২২.১৩ কোটি, সেপ্টেম্বরে ২৪০.৪১ কোটি, অক্টোবরে ২৩৯.৫০ কোটি, নভেম্বরে ২২০ কোটি, ডিসেম্বরে ২৬৪ কোটি, জানুয়ারিতে ২১৯ কোটি, ফেব্রুয়ারিতে ২৫৩ কোটি, মার্চে ৩২৯ কোটি, এপ্রিলে ২৭৫ কোটি, মে মাসে ২৯৭ কোটি এবং জুনে ২৮২ কোটি ডলার।