দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই ইউনিভার্সালের সর্বোচ্চ আয়ের সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮ সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নতুন এই সংশোধনীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনি প্রতীক ‘নৌকা’ স্থগিত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে একক প্রার্থীর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে এমন ‘না’ প্রতীক নির্বাচনি প্রতীকের তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।ইসির জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর ৯৪ অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা-২০০৮-এর বিধি ৯-এর উপবিধি (১) সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, স্থগিত প্রতীক ছাড়া ইসির নির্ধারিত অন্য যেকোনো প্রতীক প্রার্থিতা সাপেক্ষে বরাদ্দ দেওয়া যাবে। কমিশনের তৈরি প্রতীকের তালিকায় ‘নৌকা’ প্রতীকের পাশে ‘স্থগিত’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়েছে।এদিকে প্রতীক স্থগিত ও নতুন প্রতীক সংযোজনের পাশাপাশি প্রার্থীর হলফনামা দাখিলের ক্ষেত্রেও বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রার্থীর স্বামী বা স্ত্রী, সন্তান ও নির্ভরশীলদের আয়করসংক্রান্ত তথ্য দেওয়া আর বাধ্যতামূলক থাকছে না; এটি ঐচ্ছিক করা হয়েছে। ফলে প্রার্থীর পরিবারের সদস্যদের আয়কর রিটার্নসংক্রান্ত তথ্য না দিলেও তা আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য হবে।
এ ছাড়া হলফনামার ৩(গ) অনুচ্ছেদে ‘অভিযুক্ত’ শব্দের ব্যাখ্যাও স্পষ্ট করা হয়েছে। সংশোধিত বিধান অনুযায়ী, অভিযুক্ত বলতে কেবল সেই আসামিকে বোঝাবে, যার বিরুদ্ধে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ বা চার্জ গঠন করেছেন।
ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত প্রার্থীদের জামিনসংক্রান্ত কাগজপত্রের ক্ষেত্রেও বিধিমালা শিথিল করা হয়েছে। আগে কোনো প্রার্থী জামিনে মুক্ত থাকলে আদালত থেকে জামিনের সত্যায়িত অনুলিপি সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক ছিল। সংশোধনের মাধ্যমে এ বিধান সহজ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কোনো প্রার্থী কারাগারে থাকলে তিনি গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হলফনামাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সত্যায়িত করে জমা দিতে পারবেন।
সংশোধিত বিধিমালার মাধ্যমে নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ, প্রার্থীর হলফনামা এবং কারাগারে থাকা প্রার্থীদের মনোনয়নসংক্রান্ত কাগজপত্র জমার ক্ষেত্রে নতুন বিধান কার্যকর হলো।