মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন, তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: তথ্য উপদেষ্টা


প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরতে হবে। তিনি পলাতক ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উল্লেখ করে বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এলে তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।

৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ 

শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন, তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: তথ্য উপদেষ্টা
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে আসতে হবে, তাকে ধরে নিয়ে আসতে চাই। তিনি পলাতক আসামি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।’

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার এখন আর আপিল করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘টেকনিক্যালি ব্যাপারটি এমন, শেখ হাসিনা আসবেন এবং তার জন্য মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের প্রসঙ্গ টেনে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সঙ্গে শেখ হাসিনাকে ফেরত চাওয়ার বিষয়টিকে শর্ত হিসেবে দেওয়া হয়েছে। তাই বিষয়টি ভারতকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত।

সম্প্রতি শেখ হাসিনা ভারতের কয়েকটি প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন ডা. জাহেদ। তিনি বলেন, প্রত্যর্পণ না হওয়া পর্যন্ত শেখ হাসিনা যেন এ ধরনের সাক্ষাৎকার দিতে না পারেন, সেটিই প্রত্যাশা করেছিলেন এবং এখনো করছেন।

ভারতের দিক থেকে বিষয়টি ঠিক হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবিকে ‘স্ট্রং’ উল্লেখ করে ডা. জাহেদ বলেন, শেখ হাসিনা নিজে আসুন বা বাংলাদেশ তাকে ফিরিয়ে আনুক- এখানে কোনো কৌশলের বিষয় নেই।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক যে পর্যায়ে চলে গিয়েছিল, সেটির উন্নতির জন্য অন্তত তাৎক্ষণিকভাবে শেখ হাসিনার গণমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার বিষয়টি বন্ধে ভারত পদক্ষেপ নিতে পারত।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনারকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করার আহ্বান জানিয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার ব্যাপারে বাংলাদেশের সংবেদনশীলতা রয়েছে। বাঁধন কিংবা অন্য কেউ হামলার শিকার হওয়ার পর শেখ হাসিনা যখন গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন, সেটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিরক্তিকর ও ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিষয়টি ভারতের বোঝা উচিত।