মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

পল্লবী থানার মামলায় ফের গ্রেপ্তার রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ


রাজধানীর পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

২০ জুলাই ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ 

পল্লবী থানার মামলায় ফের গ্রেপ্তার রিজেন্ট চেয়ারম্যান সাহেদ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রাজধানীর পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি মামলায় আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ জুলাই) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বসির। তিনি জানান, পল্লবী থানার একটি মামলায় আদালত থেকে সাহেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। সেই পরোয়ানা বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়ে তাকে ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তাকে পল্লবী থানায় নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে আসামিপক্ষ আগে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেছিল। সংশ্লিষ্ট রিটের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারের পর সাহেদকে পল্লবী থানায় রাখা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় আবেদন নিয়ে আদালতে হাজির হবেন।২০২০ সালের ৬ জুলাই র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে করোনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ প্রদান এবং প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া যায়। পরদিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় সিলগালা করা হয়। একই দিন উত্তরা পশ্চিম থানায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরে ২০২০ সালের ১৫ জুলাই ভোরে ভারতে পালানোর সময় সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে র‌্যাব সাহেদকে গ্রেপ্তার করে। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে ছিলেন। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান সাহেদ। তার বিরুদ্ধে মোট ৯৬টি মামলা ছিল, যার মধ্যে পাঁচটিতে তিনি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। সব মামলায় জামিন লাভের পর তিনি কারামুক্ত হন।