আগামী মাসে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’
১৯ জুলাই ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেয় ইংল্যান্ড। সেমিফাইনালে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ায় ম্যাচটি নিয়ে দুই দলের আগ্রহ তুলনামূলক কম ছিল। ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশঁও ম্যাচের আগে সে কথা স্বীকার করেছিলেন। তবে মাঠে নেমে দুই দলই লড়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।
ম্যাচের আড়াই মিনিটেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠেন ডেকলান রাইস। তার নেওয়া শট জালে জড়িয়ে গেলে শুরুতেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংলিশরা। এরপর বুকায়ো সাকার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হলেও বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ১৭তম মিনিটে কর্নার থেকে এজরি কনসার হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ইংল্যান্ড।
৩৭তম মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ডের শট প্রথমে ঠেকিয়ে দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ঁ। তবে ফিরতি বলে গোল করে নিজের নাম লেখান সাকা। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের আগেই আবারও গোল করেন তিনি। মাঝমাঠ থেকে আসা একটি পাস দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে পেয়ে প্রথম ছোঁয়াতেই জালে পাঠান ইংলিশ উইঙ্গার। বিরতিতে যাওয়ার আগেই ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ফ্রান্স। মিশেল অলিসের পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান কিলিয়ান এমবাপে। এরপর দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে ব্র্যাডলি বারকোলার গোলে স্কোরলাইন হয় ৪-২। কিছুক্ষণ পর আবারও গোল করেন এমবাপে। তাতে ম্যাচে ফেরার আশা জাগে ফরাসিদের। কিন্তু সেই আশা বেশিক্ষণ টিকতে দেননি বুকায়ো সাকা। পেনাল্টি থেকে নিজের তৃতীয় গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি এবং ইংল্যান্ডকে ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে নেন। যোগ করা সময়ের ঠিক আগে অসাধারণ একক নৈপুণ্যে গোল করেন জুড বেলিংহাম। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জালে বল পাঠিয়ে ইংল্যান্ডের গোলসংখ্যা বাড়িয়ে ৬ করেন তিনি।
যদিও যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে দায়ো উপামেকানোর পাস থেকে উসমান দেম্বেলে ফ্রান্সের হয়ে আরেকটি গোল শোধ করেন। তবে সেটি শুধু ব্যবধানই কমাতে পেরেছে। শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের জয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। এবার শিরোপা নির্ধারণের পালা। আগামী সোমবার রাত ১টায় মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে স্পেন ও আর্জেন্টিনা।