আগামী শনিবারের মধ্যে সব বেসরকারি ক্লিনিকে লেবার রুম চালুর নির্দেশ, না হলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৬ জুলাই ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
দেশের শূন্য হওয়া সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে আগামী অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে সরকারের সঙ্গে লিখিত ও অলিখিত আলোচনা ছাড়া এখনই এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত বা স্পষ্ট ঘোষণা দেওয়া ইসির জন্য যৌক্তিক হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ।
সোমবার নির্বাচন ভবনে আরএফইডি’র অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি মাছউদ বলেন, "আমরা অক্টোবরকে সামনে রেখে সব প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছি। অক্টোবরে নির্বাচন করতে হলে তার অন্তত ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। তবে সীমানা নির্ধারণ ও আইনি জটিলতা সমাধানের জন্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় প্রয়োজন। দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের জন্য স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হবে এবং জটিলতা থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা চাওয়া হবে।"
পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও উপজেলা নির্বাচনের আন্তঃসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, "বর্তমানে স্থানীয় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানই শূন্য রয়েছে। তবে একটি নির্বাচন অন্যটির সঙ্গে জড়িত। পৌরসভা ও ইউপি সদস্যরা পদাধিকারবলে উপজেলা পরিষদের সদস্য হন। ফলে পৌরসভা ও ইউপি নির্বাচন আগে না হলে উপজেলা পরিষদ গঠন করা সম্ভব নয়। তাই উপজেলা নির্বাচন পরে হবে, তবে সিটি করপোরেশন নির্বাচন আলাদাভাবে করা যাবে।"
সব নির্বাচন একসঙ্গে চলে আসায় আইনি বাধ্যবাধকতা হুবহু পালন করা কিছুটা কঠিন হতে পারে মন্তব্য করে এই কমিশনার বলেন, "মানুষের উপকারে কোন নির্বাচনটা বেশি প্রয়োজন এবং কোথায় নাগরিকরা অসুবিধা বোধ করছেন- এসব বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতেই নির্বাচনের চূড়ান্ত রোডম্যাপ তৈরি হবে। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সেজন্য আমরা সবার সহযোগিতা চাই।"
অনুষ্ঠানে আরেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা ইতোমধ্যে সংসদে কথা বলেছেন। আমাদের কমিশনও সব প্রস্তুতি শুরু করেছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব ধারাবাহিকভাবে এ ব্যাপারে আপডেট জানাবেন। নির্বাচনের আচরণবিধি ইতোমধ্যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে মতামত নেওয়া হয়েছে এবং আইনগুলো খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের কাজ চলছে।"
আরএফইডি’র সভাপতি কাজী এমাদ উদ্দীন জেবেলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকরাম উদ-দৌলার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার তাহমিদা আহমদ ও আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ এবং সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল।