সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

২৮ দিনেই এলো ২৫৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, অর্থবছরে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ১৭.৬০%


চলতি জুন মাসের প্রথম ২৮ দিনেই দেশে ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ২৪ লাখ ডলার। একই সাথে সদ্য সমাপ্তপ্রায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-২৮ জুন) পুরো সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৭ দশমিক ৬০ শতাংশের বিশাল প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্স প্রবাহের এই সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২৯ জুন ২০২৬, ৮:৩২ অপরাহ্ণ 

২৮ দিনেই এলো ২৫৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, অর্থবছরে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি ১৭.৬০%
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয়ের চাঙ্গা ভাব বজায় রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি জুন মাসের ১ থেকে ২৮ তারিখ পর্যন্ত সময়ে প্রবাসীরা ২৫৮ কোটি ৬০ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৫৪ কোটি ডলার; অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে জুনের এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১.৮ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩ হাজার ৫৩৪ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংগ্রহ ১৭ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় বড় অবদান রাখছে।

এর আগে গত মে মাসে দেশে এসেছে মোট ৩৪২ কোটি ৫০ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসের কোনো একক মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়। আর তারও আগে গত মার্চ মাসে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা, যা দেশের ইতিহাসের যেকোনো একক মাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স প্রাপ্তি।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্সের চিত্র:

এপ্রিল: ৩১২ কোটি ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার

ফেব্রুয়ারি: ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার

জানুয়ারি: ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার

ডিসেম্বর: ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার

নভেম্বর: ২৮৮ ⁠কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার মার্কিন ডলার

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ব্যাপারে কড়াকড়ি এবং প্রবাসীদের সচেতনতা বৃদ্ধির ফলেই চলতি অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রবাহে এমন ধারাবাহিক ও রেকর্ড প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।