বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬

এআইয়ের অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকিতে সতর্ক থাকার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর


কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি সৃজনশীল শিল্প ও গণমাধ্যমে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও এর অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকি নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। তিনি বলেন, দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের মাধ্যমে চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে সৃজনশীলতাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।
এআইয়ের অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকিতে সতর্ক থাকার আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল শিল্প ও গণমাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলেও এর অপব্যবহার ও নৈতিক ঝুঁকির বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্বশীল এআই ব্যবহারের পক্ষে এবং এ প্রযুক্তি যেন চলচ্চিত্র ও গণমাধ্যমে সৃজনশীলতার সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে, তা নিশ্চিত করতে হবে। 

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাজধানীর জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র ও বিজ্ঞাপন পরিবেশনা ও বিপণনে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য বিস্তার রোধ কৌশল’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই) যৌথভাবে কর্মশালার আয়োজন করে।প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাণে এআই যেন ইতিবাচক উদ্ভাবনের হাতিয়ার হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট-এর প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিসিটিআই পরিচালিত চারটি কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ড. মো. আলম মোস্তফা এবং রওনক জাহান। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষক লাবিব নাজমুস ছাকিব। তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে ডি-এজিং, ভার্চুয়াল প্রোডাকশন ও ভয়েস ক্লোনিংয়ের মতো এআই প্রযুক্তির সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি লেখকত্ব ও সেন্সরশিপের নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়েও আলোচনা করেন।

আলোচনায় বক্তারা ডিপফেক, ভুয়া ভিডিও এবং এআই-চালিত বটের মাধ্যমে গুজব ও অপতথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে ফ্যাক্ট-চেকিং টুল ও অ্যালগরিদমিক শনাক্তকরণের মাধ্যমে এসব প্রতিরোধে এআই-এর ইতিবাচক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রবীণ চলচ্চিত্র পরিচালক রফিকুজ্জামান বলেন, সিনেমার মূল শক্তি হলো মানুষের অনুভূতি। তাই মূলধারার চলচ্চিত্রে এআই ব্যবহারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিস্তার জাহান কবীর, মেন্টর রফিকুল আনোয়ার রাসেল, শিক্ষক আল আমিন রাকিব তনয় এবং মনজ়ুরুল হক সালেহ