তিন দিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতির আভাস, ধীরে কমছে নদ-নদীর পানি
১০ মে ২০২৬, ৯:০৮ অপরাহ্ণ
আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-আজহা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন কোরবানির পশুর হাটে জাল নোটের অপতৎপরতা ঠেকাতে ১০ দফা নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কারেন্সি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব তফশিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের অনুমোদিত পশুর হাটগুলোতে জাল নোট শনাক্তকরণ বুথ স্থাপন করে পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বিনামূল্যে নোট যাচাই সেবা দিতে হবে। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের অনুমোদিত পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিনের সহায়তায় অভিজ্ঞ ক্যাশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হাট শুরুর দিন থেকে ঈদের আগের রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এ সেবা চালু রাখতে হবে।
এছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নাম, পদবি ও মোবাইল নম্বরসহ ব্যাংকের একজন সমন্বয়ক কর্মকর্তার তথ্য আগামী ১৭ মে ২০২৬-এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে বলা হয়েছে। সমন্বয়কারী কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট হাটে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকি করবেন।
ঢাকার বাইরে যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস রয়েছে, সেখানে সংশ্লিষ্ট অফিসের নেতৃত্বে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার অনুমোদিত পশুর হাটে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর যেসব জেলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস নেই, সেখানে দায়িত্ব বণ্টনের কাজ করবে সোনালী ব্যাংক পিএলসির চেস্ট শাখাগুলো।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, হাটে স্থাপিত বুথগুলোতে নোট কাউন্টিং মেশিনের সাহায্যে নগদ অর্থ গণনার সুবিধাও রাখতে হবে। বুথ স্থাপনে প্রয়োজন হলে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা প্রশাসন, ইজারাদার এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
কোনো বুথে জাল নোট শনাক্ত হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।এছাড়া বুথে স্পষ্টভাবে ব্যাংকের নাম এবং ‘জাল নোট সনাক্তকরণ বুথ’ লেখা ব্যানার প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত ভিডিও ঈদের আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ব্যাংকের শাখাগুলোর টিভি মনিটরে প্রদর্শনের কথাও বলা হয়েছে।
দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় আর্থিক সুবিধা দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে নির্দেশনায়। একই সঙ্গে ঈদ-উল-আজহা শেষ হওয়ার পরবর্তী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বাস্তবায়িত কার্যক্রমের বিস্তারিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে পাঠাতে হবে বলে জানানো হয়েছে।