রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

৩৮৬ রানে পাকিস্তান অলআউট, ২৭ রানের লিড বাংলাদেশের


মিরপুর টেস্টে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করে ২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড পেয়েছে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের ৫ উইকেটের সঙ্গে তাসকিন ও তাইজুলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তৃতীয় দিনে ম্যাচে এগিয়ে গেছে টাইগাররা।
৩৮৬ রানে পাকিস্তান অলআউট, ২৭ রানের লিড বাংলাদেশের
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চলমান দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ৩৮৬ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। ফলে প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেয়েছে স্বাগতিকরা।

শনিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল পাকিস্তান। তবে রোববার তৃতীয় দিনে বাকি ৯ উইকেট হারিয়ে তারা যোগ করতে পারে আরও ২০৭ রান।

আগের দিন ৮৫ রানে অপরাজিত থাকা ওপেনার আজান আওয়াইস তৃতীয় দিনে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। অভিষেক টেস্ট খেলতে নেমে ১৬৫ বলে ১৪টি চারের সাহায্যে ১০৩ রান করেন তিনি। আরেক অভিষিক্ত ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজলের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১০৪ রানের জুটি গড়েন আজান।

দলীয় ২১০ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানোর পর দ্রুতই চাপে পড়ে পাকিস্তান। অধিনায়ক শান মাসুদ ও সৌদ শাকিল দুইজনই ব্যর্থ হয়ে সাজঘরে ফেরেন। এরপর ২৩০ রানে আউট হন আব্দুল্লাহ ফজল। তিনি ১২০ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় করেন ৬০ রান। ৫ উইকেটে ২৩০ রান থেকে দলকে টেনে তোলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। ষষ্ঠ উইকেটে তারা গড়েন ১২৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি। দুই ব্যাটারই তুলে নেন ব্যক্তিগত ফিফটি।

দলীয় ৩৪৯ রানে আউট হন রিজওয়ান। তিনি ৭৯ বলে ৮টি চারে ৫৯ রান করেন। এরপর ৩৫৩ রানে ফেরেন সালমান আলি আগা। ৯৪ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৫৮ রান করেন তিনি। নোমান আলি, শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলি ও মোহাম্মদ আব্বাসরা মিলে যোগ করেন মাত্র ৩৩ রান। শেষ পর্যন্ত ১০০ দশমিক ৩ ওভারে ৩৮৬ রানে থামে পাকিস্তানের ইনিংস।

বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন মেহেদি হাসান মিরাজ। ১০২ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন এই অফস্পিনার। এছাড়া তাসকিন আহমেদ ও তাইজুল ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। দলের হয়ে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত খেলেন ১০১ রানের দারুণ ইনিংস। ১৩০ বলে ১২টি চার ও ২টি ছক্কা হাঁকান তিনি।

অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করেন মুমিনুল হক। সাবেক এই অধিনায়ক ২০০ বলে ১০টি চারে ৯১ রান করেন। এছাড়া মুশফিকুর রহিম ৭১, লিটন দাস ৩৩ এবং তাসকিন আহমেদ ২৮ রান করেন। পাকিস্তানের হয়ে মোহাম্মদ আব্বাস ৯২ রানে ৫ উইকেট নেন। শাহিন শাহ আফ্রিদি শিকার করেন ৩ উইকেট।