সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি এনসিপির


রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে অভিশংসন করে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এ দাবি জানান। একই দিন এনসিপির আরেক নেতা সারজিস আলম সামাজিক মাধ্যমে বিএনপি-আওয়ামী লীগ সমঝোতার অভিযোগ তোলেন।

২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ 

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে অভিশংসন ও গ্রেপ্তারের দাবি এনসিপির
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বনানী সামরিক কবরস্থানে পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মো. নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন-কে অভিশংসনের দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘চব্বিশের জুলাইয়ে গণহত্যা ঠেকাতে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন। এজন্য তিনি গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না।’ তিনি আরও বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে হবে এবং পরবর্তীতে গণহত্যার দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।

এর আগে একই দিন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর একটি হাস্যোজ্জ্বল ছবি পোস্ট করেন এনসিপির আরেক নেতা সারজিস আলম। ছবির ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘এটাই ছিল ২০২৬ সালের নির্বাচনের চিত্র!’

পোস্টে বিএনপিকে কটাক্ষ করে সারজিস দাবি করেন, মাঠপর্যায়ে বিএনপি এককভাবে জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হতে পারবে না বুঝতে পেরে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতায় গেছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন আসনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে জামিনসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আরও অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপি, আওয়ামী লীগ, প্রশাসনের একাংশ এবং দেশি-বিদেশি কিছু এজেন্টের সমন্বয়ে নির্বাচন ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে সরকার গঠন করা হয়েছে।

সারজিস আলম তার পোস্টে আরও লেখেন, যে আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন, সেই দলের মনোনীত রাষ্ট্রপতিকে সঙ্গে নিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো ‘মশকরা ছাড়া কিছু নয়’।

তিনি বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তাও দেন। লেখেন, ভবিষ্যতে যদি আওয়ামী লীগের দ্বারা আবার নির্যাতনের শিকার হতে হয়, তার দায় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে নিতে হবে। এনসিপির পক্ষ থেকে উত্থাপিত এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।