বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সংবিধান সংস্কার প্রশ্নে গণভোট ঘিরে দেশজুড়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। ১২ ফেব্রুয়ারিসকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে ভোট গণনার কাজ।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানিয়েছে, আগের রাতে কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া সারাদেশে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর এক প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচন স্থগিত থাকায় ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে অংশ নেয় ৫০টি রাজনৈতিক দল। তবে নির্বাচনি মাঠে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তি হিসেবে ছিল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। মোট প্রার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ৩১ জন, যার মধ্যে ২৭৫ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। সবচেয়ে বেশি ২৯১ জন প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে প্রার্থী দেয়।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখের বেশি, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখের বেশি এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২২০ জন।
ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪২ হাজার ৬৫১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৪৭ দশমিক ৯১ শতাংশ। কোনো কেন্দ্রে ভোট স্থগিত হয়নি। কোথাও কোথাও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও স্থানীয় প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিয়েছে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন পরিচালনায় ৯ লাখের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ও প্রায় ৮ লাখ নির্বাচনি কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ৩৫ হাজারের বেশি দেশীয় এবং প্রায় সাড়ে ৩০০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ছিলেন।
ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন।