শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

ভোটের দিন ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করবে তিন বাহিনী


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিমান বাহিনীসহ তিন বাহিনীর ড্রোন ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে ড্রোন মোতায়েন ও লাইভ ফিড সরবরাহে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ 

ভোটের দিন ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি করবে তিন বাহিনী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটের দিন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিমান বাহিনীসহ তিন বাহিনীর ড্রোন ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইতোমধ্যে ড্রোন মোতায়েনের বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনীর প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালকের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠি পাঠিয়েছে ইসি।

নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব শহীদুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এসব চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। তপশিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বাহিনী, সংস্থা ও বিভাগ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনকালীন সময়ে যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে স্বল্প সময়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তব অবস্থা নির্ণয়, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং দ্রুত ও যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

এ অবস্থায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পাদনের স্বার্থে বিমান বাহিনী, র‍্যাব ও বিজিবি কর্তৃক ড্রোন মোতায়েন করে ড্রোনের লাইভ ফিড নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে সরবরাহ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া বিমান বাহিনীর জন্য পাঠানো পৃথক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ড্রোনের লাইভ ফিড নির্বাচন কমিশনের পাশাপাশি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়েও প্রদান করতে হবে।

ইসি কর্মকর্তারা মনে করছেন, ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।