বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটার, প্রার্থী, নির্বাচনি এজেন্ট এমনকি সাংবাদিকরাও মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ঢাকা-১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের এই বিধি পরিবর্তন না করলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ১১ দলের নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, “নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের আওতায় নাকি মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা যাবে না। ইসি কোন জায়গা থেকে এই বিধি-বিধান বের করছে, আমরা জানি না। কার পরিকল্পনার আদলে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে, সেটাও জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলছি- আজ সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধি-বিধান পরিবর্তন করুন। তা না হলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।”
নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিকল্পিতভাবে ভোট কারচুপির পথ তৈরি করা হচ্ছে। “আমরা এতদিন অনেক কিছু সহ্য করেছি। কিন্তু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে এসে মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করা, মানুষের তথ্য জানার অধিকার হরণ করা এবং ভোট কারচুপির সুযোগ তৈরি করার মতো কোনো আইন হলে তা মেনে নেওয়া হবে না,” বলেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনকে সতর্ক করে দিয়ে ঢাকা-১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, “এতদিন যা করেছেন করেছেন। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে ফ্যাসিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল, তার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হবে এই নির্বাচন কমিশন।”
এদিকে ইসির মোবাইল নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ এবং সাংবাদিকদের মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মতে, এই সিদ্ধান্ত নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।