শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মাঠে ১,০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মোতায়েন প্রায় ১০ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ভোটের আগে ও পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীসহ প্রায় ১০ লাখ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৪১ অপরাহ্ণ 

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মাঠে ১,০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, মোতায়েন প্রায় ১০ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে ঘিরে আজ শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারা দেশে দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্বও একই সঙ্গে শুরু হচ্ছে।

ইসি মাছউদ বলেন, “সেনাবাহিনী আগে থেকেই মাঠে রয়েছে। আনুষ্ঠানিকভাবে তারা ভোটের আগে ও পরে মোট সাত দিন দায়িত্ব পালন করবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর সঙ্গে আমরা বৈঠক করেছি। তারা জানিয়েছে, মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি ভালো এবং নির্বাচন আয়োজনের জন্য সহায়ক পরিবেশ রয়েছে।”

তিনি আরও জানান, দেশের সব ব্যালট বাক্স ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে এবং রিটার্নিং কর্মকর্তারা সেগুলো গ্রহণ করছেন। বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সবাই ভোটগ্রহণের শেষ প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছেন। এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়, নির্বাচন সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও ভিডিপি, কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন করা হবে। স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার জন্য ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে মোট ৯ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন, সেনাবাহিনী ১ লাখ ৩ হাজার, নৌবাহিনী ৫ হাজার, বিমানবাহিনী ৩ হাজার ৭৩০ জন। এছাড়া বিজিবি ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ড ৩ হাজার ৫৮৫, পুলিশ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র‌্যাব ৯ হাজার ৩৪৯ এবং চৌকিদার-দফাদার ৪৫ হাজার ৮২০ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, নির্বাচনি এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, র‌্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‌্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করবে।

উপকূলীয় এলাকায় বিশেষভাবে কোস্ট গার্ড মোতায়েন থাকবে। সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে নিয়মিত রিপোর্ট করবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।