শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণা নিষিদ্ধ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য: ইসি


আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ কিংবা ‘না’-এর পক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নিতে পারবেন না বলে নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করার সুযোগ থাকবে।

২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ 

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণা নিষিদ্ধ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য: ইসি
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

গণভোটে সরকারি কর্মকর্তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিশ্চিত করতে স্পষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী গণভোটে ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তা দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশন সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ–২০২৫ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী যদি কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের পক্ষে প্রচারণায় যুক্ত হন, তাহলে তা আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

নির্বাচন কমিশনের ভাষ্যমতে, ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে প্রচারণা গণভোটের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। এ কারণে গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী এ ধরনের কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধের আওতায় পড়বে। তবে কমিশন জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তারা গণভোটের বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে তথ্য প্রদান, অবহিতকরণ ও সচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন, যতক্ষণ না তা কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের পক্ষে প্রচারণায় রূপ নেয়। এই নির্দেশনা বিভাগীয় কমিশনার (ঢাকা ও চট্টগ্রাম), আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা), জেলা প্রশাসকসহ সকল রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন আশা প্রকাশ করেছে, এ নির্দেশনার মাধ্যমে গণভোটে প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় থাকবে এবং ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা আরও শক্তিশালী হবে।