এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ৩:০৩ অপরাহ্ণ
‘মাইনাস টু বা মাইনাস ফোর’ বাস্তবায়নের সক্ষমতা কারোর নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, “মাইনাস টু যেখানে শুরু হয়েছিল, সেটাকে এখন মাইনাস ফোর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু আমি এটাকে পুরোপুরি একটি ফেল করা প্রকল্প হিসেবে দেখি। এটি রাজনৈতিক দলগুলোকে আরও শক্তিশালী করেছে, রাজনীতিবিদদের প্রাসঙ্গিকতাকেও সামনে এনে দিয়েছে।”
একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের টক শোতে অতিথি হিসেবে অংশ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন তিনি। রুমিন বলেন, মাইনাস রাজনীতির বিষয়টি দুই দলের নেতা–কর্মী ও ভোটারদের নিজেদের দলকে ঘিরে আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ করে তুলেছে।
তিনি বলেন, “বিএনপির রাজনৈতিক ইতিহাসে ওয়ান-ইলেভেন একটি গভীর ছাপ রেখে গেছে। তখন দুই বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে মাইনাস করার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু সেটি সফল হয়নি। বরং পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ ১৫ বছর বিনা ভোটে ক্ষমতায় থেকেছে। অন্যদিকে বিএনপি ভেঙে যাবে বা অস্তিত্ব হারাবে—এমন নানা আলোচনা থাকলেও বিএনপি আরও শক্তিশালী হয়ে নিজের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা প্রমাণ করেছে।”
রুমিন অভিযোগ করেন, “শেখ হাসিনার অনিয়ম, অত্যাচার, দুর্নীতি ও দুঃশাসনে দেশের মানুষ নাজেহাল হওয়ায় তাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে। তার পরবর্তী নেতৃত্ব কে নেবে, সেটাও কখনো স্পষ্ট করা হয়নি। ‘মাইনাস ফোর’ আলোচনার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নাম্বার টু আসলে কে—সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তথ্যই নেই। কখনো জয়ের নাম শোনা যায়, কখনো পুতুল, আবার কখনো ববি। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো নেতৃত্বের প্রমাণ নেই।”
বিএনপি নেতৃত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, “চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে আছেন, কিন্তু এখনও আছেন। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বহুবার স্পষ্টভাবে বলেছেন যে তিনি নির্বাচনের আগেই বাংলাদেশে ফিরবেন। তিনি বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারেও বলেছেন যে তিনি দেশের রাজনীতির সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এবং যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফিরতে চান।”
সবশেষে রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার মনে হয় না মাইনাস টু বা মাইনাস ফোর—যেটাই হোক—সেটা কার্যকর করার সক্ষমতা কারো আছে।”