বেলজিয়ামের ২৩ শট একাই থামালেন ইরান গোলরক্ষক়, গোলশূন্য ড্র বেলজিয়াম-ইরান ম্যাচ
২৪ জুন ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী দেশের রাজস্ব ও নতুন করের উৎস সম্পর্কে এই ঘোষণা দেন।
সেলিনা সুলতানার প্রশ্ন ছিল-বিগত অর্থবছরে ভ্যাট থেকে সরকারের রাজস্ব আয় কত ছিল? নতুন কোনো প্রতিষ্ঠান বা উৎসকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা? থাকলে সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান বা উৎসের তালিকা কী?
সংসদে দেওয়া জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বাবদ সরকারের মোট রাজস্ব আয় ছিল ১ লাখ ৪১ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, রাজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে আগামী অর্থবছর থেকে নতুন কিছু খাত ও প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে মোট ১৬টি ব্যবসায়িক খাতকে ভ্যাটের সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনা হবে।
ভ্যাটের আওতায় আসা ১৬টি খাত হলো: ১. মুদি দোকান ২. তৈরি পোশাক বা কাপড়ের দোকান ৩. কনফেকশনারি ৪. কসমেটিক্সের দোকান ৫. প্লাস্টিক ও সিরামিকের গৃহস্থালী পণ্য এবং জুতার দোকান ৬. হার্ডওয়্যার পণ্যের বিক্রেতা ৭. ডেকোরেটরস ৮. মোবাইল ফোন, এসি, ফ্রিজ, ওভেন ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের বিক্রেতা ৯. পেইন্ট ও হার্ডওয়্যার এবং স্যানিটারি ও ফিটিংস ১০. টাইলসের দোকান ১১. ঢেউটিনের দোকান ১২. রড ও সিমেন্ট ১৩. ফার্নিচারের দোকান ১৪. বিউটি পার্লার ১৫. মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং ১৬. রেস্টুরেন্ট।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদিত হলে আগামী মাস (জুলাই) থেকেই এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে যাচ্ছে বলে সংসদকে আশ্বস্ত করেন অর্থমন্ত্রী।