বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
১৬ মার্চ ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। সৈয়দপুরে পৌঁছে সেখান থেকে সড়কপথে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কর্মসূচিস্থলে যান তিনি।
সাহাপাড়ায় পৌঁছে নিজ হাতে কোদাল দিয়ে খাল খননের কাজের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্থানীয় মানুষের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যায়। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, খাল খনন সম্পন্ন হলে এলাকার পানির সংকট দূর হবে এবং কৃষিকাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী কৃষি সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং পানি ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ৫৪টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
উল্লেখ্য, গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি চালু করেন। বর্ষাকালের অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ করে শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ নিশ্চিত করাই ছিল এর প্রধান লক্ষ্য। সে সময় সারা দেশে প্রায় ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করা হয়েছিল। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে ‘কাজের বিনিময়ে খাদ্য’ কর্মসূচিও চালু করা হয়।
সঠিক পরিকল্পনা ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। তারা বলেন, এ ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার সফল অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো যেতে পারে। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করতে হবে।