বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন উদ্যোগ: অধিনায়কদের জন্য ‘ক্যাপ্টেন্স কার্ড’ চালু
১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৯:৩৫ অপরাহ্ণ
ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এখন প্রায় সম্পূর্ণভাবে সরকারের নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে বলে জানিয়েছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ফোয়াদ ইজাদি। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, গত দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে রাজপথে বড় ধরনের কোনো বিক্ষোভ বা সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। তার মতে, দেশজুড়ে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই কেটে গেছে এবং পরিস্থিতি সরকারের কবজায় রয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার নির্বাসিত ইরানের ক্রাউন প্রিন্স রেজা পাহলভির আহ্বানে হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এর পরপরই সরকার দেশজুড়ে ইন্টারনেট সেবা পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
ইন্টারনেট বন্ধের সিদ্ধান্তকে নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরি বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক ইজাদি। তিনি গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, সে সময় ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ ইরানের ইন্টারনেট অবকাঠামো ব্যবহার করে নাশকতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কমান্ড সেন্টার স্থাপন করেছিল।
আল জাজিরার পৃথক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সোমবার থেকে ইরানের বড় বড় শহরের রাজপথগুলো মূলত সরকারপন্থিদের দখলে রয়েছে। সাধারণ বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিপরীতে হাজার হাজার সরকার সমর্থক মিছিলে অংশ নিয়ে প্রশাসনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছেন।
চলমান বিক্ষোভ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ইজাদি বলেন, সাধারণ মানুষের তুলনায় সশস্ত্র ‘দাঙ্গাবাজদের’ তৎপরতাই বেশি ছিল। তার অভিযোগ, বিক্ষোভের নামে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছে এবং যেসব সাধারণ ব্যবসায়ী দোকান খোলা রেখেছিলেন, তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়েছে।সরকারের দাবি অনুযায়ী, এই সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার পেছনে সরাসরি বিদেশি মদদ রয়েছে।