পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার নির্দেশ আইনমন্ত্রীর
২৪ মে ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তা চৌকির সামনে হঠাৎ গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। পাল্টা গুলিতে নিহত হয় হামলাকারী এবং আহত হন এক পথচারী।
ঘটনার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউজের ভেতরে অবস্থান করছিলেন। পরে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন।
সিক্রেট সার্ভিসের বিবৃতিতে বলা হয়, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টার কিছু পর ১৭ নম্বর স্ট্রিট ও পেনসিলভানিয়া অ্যাভিনিউর সংযোগস্থলের একটি নিরাপত্তা চৌকির দিকে এগিয়ে আসে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তি। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তার ব্যাগে অস্ত্র লুকানো ছিল।
চেকপয়েন্টের কাছে পৌঁছে ওই ব্যক্তি ব্যাগ থেকে অস্ত্র বের করে দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা পাল্টা গুলি চালালে হামলাকারী গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত জর্জ ওয়াশিংটন হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই পুরো হোয়াইট হাউজ এলাকায় জরুরি লকডাউন জারি করা হয়। তবে এ ঘটনায় সিক্রেট সার্ভিসের কোনো সদস্য আহত হননি। গুলির সময় এক পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। তিনি হামলাকারীর গুলিতে নাকি পাল্টা গুলির সময় আহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আল জাজিরার প্রতিবেদক কিম্বার্লি হ্যালকেট জানান, হোয়াইট হাউজের নর্থ লন এলাকা থেকে অন্তত ৩০ রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা গেছে। এ সময় সেখানে থাকা সাংবাদিকদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়। পরে ন্যাশনাল গার্ড পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। নিহত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি ‘স্টে অ্যাওয়ে অর্ডার’ জারি ছিল। সেটি অমান্য করেই সে হোয়াইট হাউজ এলাকায় প্রবেশ করে। এ ঘটনায় তদন্তে সিক্রেট সার্ভিসকে সহায়তা করছে এফবিআই।
যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিন এবং হাউস মেজোরিটি লিডারস্টিভ স্ক্যালিস ঘটনাটির নিন্দা জানিয়েছেন। হোয়াইট হাউজের কমিউনিকেশন ডিরেক্টর স্টিভেন চিউং জানান, রাত ৮টার দিকেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাভাবিকভাবেই দায়িত্ব পালন করছিলেন। উল্লেখ্য, গত ২৫ এপ্রিল ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এটি দ্বিতীয় বড় নিরাপত্তা ঘটনা।