ভারত বিধ্বস্ত • প্রথম দেখাতেই ভারতের বিপক্ষে ব্রাজিলের দাপুটে জয়
৬ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৪৯ অপরাহ্ণ
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি তিনজনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে। বরিশাল বিভাগে সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে মারা গেছেন দুজন। এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দুজন এবং ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ও রাজশাহী বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে একজন করে মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ ডেঙ্গু পরিস্থিতির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নতুন ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৪৮০ জন ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরের বাসিন্দা। খুলনা বিভাগে ৩০২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২২২ জন এবং বরিশাল বিভাগে ২০৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৯৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৮৭ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৬ জন, রংপুর বিভাগে ৭৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৮ জন নতুন রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ২৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনসহ ঢাকা বিভাগে প্রাণ হারিয়েছেন ১২৭ জন।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে এ সময়ে খুলনা বিভাগে ৫৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৫ জন, বরিশাল বিভাগে ২৪ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯ জন, রংপুর বিভাগে ছয়জন এবং সিলেট বিভাগে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় মশার বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ এবং ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক থাকার গুরুত্ব আবারও সামনে এসেছে। জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখা, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং দিনের বেলাতেও মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকার মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।