বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সিকিমে গত কয়েক ঘণ্টায় ধারাবাহিকভাবে একাধিক ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সিকিমের গ্যাংটক, নামচি ও মাঙ্গান এলাকায় দফায় দফায় কম্পনে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) এবং মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পগুলোর কেন্দ্রস্থল ছিল সিকিমের নামচি ও মাঙ্গান এলাকা।
বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাত ১টা ৩৯ মিনিটে প্রথম বড় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৬। এরপর রাত ২টা ৫০ মিনিটে ৪ দশমিক ৪ মাত্রা এবং ভোর ৩টা ৩১ মিনিটে ৪ দশমিক ০ মাত্রার আরও দুটি মাঝারি ভূমিকম্প হয়। ভোর ৬টা পর্যন্ত অন্তত আরও পাঁচ থেকে ছয়টি ছোট আকারের আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে।
ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে। ভূমিকম্পগুলো অগভীর হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ধারাবাহিক ভূমিকম্পের প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হয়। বিশেষ করে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় কম্পন স্পষ্টভাবে টের পাওয়া যায়। হঠাৎ কম্পনে অনেক মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
নীলফামারীর এক বাসিন্দা জানান, ‘আমি বিছানায় ছিলাম। হঠাৎ মনে হচ্ছিল রুমটা ভেঙে পড়বে। খুব ভয় লাগছিল। পরে বুঝতে পারি ভূমিকম্প হয়েছে।’ ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিকিম ও সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলটি একটি সক্রিয় ভূমিকম্পপ্রবণ ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থিত। ফলে বড় ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট আফটারশক হওয়াটা স্বাভাবিক ঘটনা।
উল্লেখ্য, এর আগেও মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল কেঁপে ওঠে। একই দিনে ভোরে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায় ৪ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়।