মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী যাচ্ছেন সম্পূর্ণ জিরো কস্টে
২০ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৩৭ অপরাহ্ণ
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সারাদেশে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। প্রশ্নফাঁস ও গুজব প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রিক যেকোনো অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সমন্বয়ে একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সারা দেশের পরীক্ষা পরিস্থিতির ওপর সরাসরি নজরদারি চালাবে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রী আরও জানান, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সাইবার অপরাধের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। যেসব ব্যক্তি থানা থেকে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেন, তাদের তালিকা প্রস্তুত করে গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা সচল রয়েছে কি না, তা কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে।
পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি। নতুন সংশোধনীতে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধগুলোকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সংশোধিত খসড়াটি বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য রয়েছে।
খাতা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘মানবিক নম্বর’ দেওয়ার গুজবের কোনো ভিত্তি নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হচ্ছে। তবে এসব কোচিং সেন্টারের কোনো সরকারি নিবন্ধন নেই, যা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।