বিসিবির নতুন সভাপতি তামিম ইকবাল, ৩ মাসের অ্যাডহক কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ
১০ জানুয়ারী ২০২৬, ৯:৫৪ অপরাহ্ণ
পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে নির্বাচনের কার্যক্রম আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। শনিবার (১০ জানুয়ারি) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে আসন দুটি স্থগিতের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
ইসির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদীয় আসনের সীমানা সংক্রান্ত একটি মামলার কারণে পাবনা জেলার এই দুই আসনের ভোট স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকা ৬৮ পাবনা-১ ও ৬৯ পাবনা-২ আসনের সীমানা নির্ধারণ নিয়ে আদালতে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন শেষে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।
নির্বাচন পরিচালন-২ অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের স্মারক নম্বর-১৭.০০.০০০০.০৩৪.৩৬.০০৯.২৫-৩৬৭ অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত সিএমপি নং-১১০৫/২০২৫ মামলায় আপিল বিভাগের গত ৫ জানুয়ারির আদেশের প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে গত সোমবার আপিল বিভাগ পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত গেজেটের সংশ্লিষ্ট অংশ স্থগিত করেন। লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) দায়ের না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন এবং এক প্রার্থীর করা আবেদনের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।
উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে নির্বাচন কমিশন গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। ওই গেজেট অনুযায়ী সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলাকে মিলিয়ে পাবনা-২ আসন নির্ধারণ করা হয়।
তবে এই গেজেটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে পৃথক রিট আবেদন দায়ের করেন। সেই মামলার ধারাবাহিকতায় বর্তমানে দুই আসনের নির্বাচন স্থগিত রয়েছে।