শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

ঢাকার ১৩ সংসদীয় এলাকায় ভোটের আগে-পরে ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগরীর ১৩টি সংসদীয় এলাকায় ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট ৯৬ ঘণ্টা সব ধরনের জনসভা, মিছিল ও শোভাযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ 

ঢাকার ১৩ সংসদীয় এলাকায় ভোটের আগে-পরে ৯৬ ঘণ্টা সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরীর নির্দিষ্ট ১৩টি সংসদীয় এলাকায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ভোটগ্রহণের আগে ও পরে মোট ৯৬ ঘণ্টা সময়জুড়ে এসব এলাকায় সব ধরনের জনসভা, মিছিল ও শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ১৯৭২-এর ৭৮ অনুচ্ছেদের ক্ষমতা উল্লেখ করে বলা হয়, ভোটগ্রহণ শুরুর পূর্ববর্তী ৪৮ ঘণ্টা এবং ভোটগ্রহণ সমাপ্তির পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় কোনো ব্যক্তি জনসভা আহ্বান, অনুষ্ঠান বা তাতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। একই সঙ্গে কোনো মিছিল বা শোভাযাত্রা সংগঠিত করা কিংবা তাতে অংশ নেওয়াও নিষিদ্ধ থাকবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। এছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো ব্যক্তি নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের আক্রমণাত্মক কার্যক্রম বা বিশৃঙ্খলামূলক আচরণ করতে পারবেন না। ভোটার কিংবা নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি ও কর্মকর্তাদের কোনো প্রকার হুমকি বা ভয়ভীতি প্রদর্শন সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অস্ত্র বহন বা শক্তি প্রদর্শনের ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়, কেউ এই বিধান লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ন্যূনতম ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডসহ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

এই নিষেধাজ্ঞা ঢাকা-৪ থেকে ঢাকা-১২, ঢাকা-১৪ এবং ঢাকা-১৬ থেকে ঢাকা-১৮ পর্যন্ত সংসদীয় আসনগুলোতে কার্যকর থাকবে।