পহেলা বৈশাখ জাতিসত্তা ও সংস্কৃতির অনন্য প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র চট্টগ্রামকে ঘিরে সরকারের নতুন অর্থনৈতিক পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। শুক্রবার সকালে চট্টগ্রামে পৌঁছে তিনি বলেন, কেবল ঘোষণা দিয়ে বাণিজ্যিক রাজধানী হওয়া সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন ব্যাপক বিনিয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন।
দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কর্মসংস্থানকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে অর্থমন্ত্রী বলেন: “চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পোর্টের (বন্দর) কার্যক্রম আরও উন্নত করতে হবে এবং নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।”
তিনি আরও জানান, চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আধুনিকায়নের জন্য সরকারের কাছে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা রয়েছে, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার গঠিত হয়েছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে এবং চট্টগ্রামের উন্নয়নে এখন সবাইকে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
বিমানবন্দর থেকে সরাসরি নগরের পাহাড়তলী থানার উত্তর কাট্টলীতে যান অর্থমন্ত্রী। সেখানে তিনি পারিবারিক কবরস্থানে মা-বাবার কবর জিয়ারত করেন। এরপর কদমতলী মাদারবাড়ী জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। বিকেলে মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় এবং চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে বন্দরসেবাদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তার।
বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে (CPA) ঘিরে যদি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ ত্বরান্বিত হয়, তবে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে। এটি জাতীয় অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং চট্টগ্রামের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে।