শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

গণসংবর্ধনায় তারেক রহমান: শান্তি ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়


দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনায় অংশ নিয়ে শান্তি, শৃঙ্খলা ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যেকোনো উসকানির মুখে দেশবাসীকে ধীর ও শান্ত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ 

গণসংবর্ধনায় তারেক রহমান: শান্তি ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে লাল-সবুজ রঙের একটি বাসে করে পূর্বাচলের ৩০০ ফিট এলাকায় আয়োজিত গণসংবর্ধনা মঞ্চে এসে পৌঁছান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় হাজারো নেতাকর্মীর মুহূর্মুহূ স্লোগানে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে পুরো সংবর্ধনাস্থল। নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও আবেগঘন অভ্যর্থনায় সিক্ত হন তিনি।

বহুল প্রতীক্ষিত ঐতিহাসিক ভাষণে তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সবার জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে চাই।” এ লক্ষ্য অর্জনে তিনি সব বাংলাদেশির সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন, “সবাই মিলে করব কাজ, গড়ব মোদের বাংলাদেশ।”

এর আগে মঞ্চে উপবিষ্ট বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা প্রিয় নেতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবর্ধনা জানান। একই সঙ্গে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলের নেতারাও মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানান। নিচে অবস্থান করা নেতাকর্মীরা টানা স্লোগান দিতে থাকেন। সবার অভিবাদনের জবাবে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তারেক রহমান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে যেকোনো উসকানির মুখে ধৈর্য ও শান্ত থাকার জন্য দেশবাসীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “যেকোনো মূল্যে আমাদের এ দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোনো উসকানির মুখে আমাদের ধীর ও শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশে শান্তি চাই।”

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে জন্মভূমিতে ফিরে তিনি বলেন, “যেসব জাতীয় নেতারা এ মঞ্চে আছেন এবং যারা মঞ্চের বাইরে আছেন, আমরা সবাই মিলে এ দেশকে নেতৃত্ব দিয়ে জনগণের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।”

নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “আমার একটি পরিকল্পনা আছে- দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রতিটি মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। ইনশাআল্লাহ আমরা সে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব।”

এই গণসংবর্ধনার মাধ্যমে তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন নতুন রাজনৈতিক বার্তা ও প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।