এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬: কঠোর নীতিমালায় নতুন নিয়ম ও শাস্তির বিধান
২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ৯:১২ অপরাহ্ণ
দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ৫ মিনিটে সপরিবারে লন্ডনের নিজ বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দেড় যুগ পর মাতৃভূমিতে ফিরছেন তারেক রহমান। বাংলাদেশ সময় বুধবার মধ্যরাতে লন্ডন ছাড়বেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকবেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়, বিশেষ করে পূর্বাচল এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে।
বিএনপি জানিয়েছে, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় সংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত তারা। দলটির আশা, ঢাকায় আয়োজিত এই গণসংবর্ধনায় ৫০ লাখের বেশি নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেবেন। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলের কুড়িল–পূর্বাচল হাইওয়ে এক্সপ্রেস এলাকায় যাবেন তারেক রহমান। সেখানেই তাকে দেওয়া হবে এই বিশাল গণসংবর্ধনা।
বিএনপি নেতাদের দাবি, তারেক রহমানের দেশে ফেরা উপলক্ষে যে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে, তা অতীতের সব রাজনৈতিক আয়োজনকে ছাড়িয়ে যাবে। নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষও এই গণসংবর্ধনায় অংশ নেবেন বলে তাদের প্রত্যাশা।
দলীয় সূত্র জানায়, পুরো আয়োজন সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে বিএনপির নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। একই সঙ্গে সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমতি পেয়েছে বিএনপি। মঞ্চ নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং দফায় দফায় দলের শীর্ষ নেতারা অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করছেন।
উল্লেখ্য, ওয়ান-ইলেভেন সরকারের সময় ২০০৮ সালে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান তারেক রহমান। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি সেখানেই অবস্থান করছিলেন। তার স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান একাধিকবার দেশে এলেও নানা কারণে তারেক রহমান দেশে ফিরতে পারেননি। দেড় যুগ পর তার এই প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।