শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যেকোনো মূল্যে নির্বাচন জরুরি: তারেক রহমান


বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে ষড়যন্ত্র এখনো থেমে নেই। দেশের কল্যাণে সবাই ঐকবদ্ধ না হলে দেশ ধ্বংসের মুখে পড়বে। ষড়যন্ত্র থামাতে হলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা জরুরি, আর সে জন্য যেকোনো মূল্যে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হবে।

১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ৮:৪০ অপরাহ্ণ 

গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যেকোনো মূল্যে নির্বাচন জরুরি: তারেক রহমান
  গুগল নিউজে ফলো করে আজকের প্রসঙ্গ এর সাথে থাকুন

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশে চলমান ষড়যন্ত্র গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া বন্ধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “দেশের কল্যাণে আমরা যদি ঐকবদ্ধ না হই, তাহলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। ষড়যন্ত্র থামানো যাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে, তাই যেকোনো মূল্য নির্বাচন হতে হবে।”

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মসূচিতে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, “গতকাল ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির ওপর দুষ্কৃতকারীদের হামলা হয়েছে। তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন। এই হামলার পেছনে কারও কোনো অসৎ উদ্দেশ্য আছে কি না, তা ভেবে দেখতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে চট্টগ্রামে বিএনপির এক নেতার ওপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। “এসব ঘটনা ঘটিয়ে কেউ হয়তো ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে,” যোগ করেন তিনি।অতীতের শাসনব্যবস্থার সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, “অতীতে আওয়ামী স্বৈরাচার যেভাবে দেশ পরিচালনা করেছে, আমরা সেভাবে দেশ পরিচালনা করব না। আমরা তার পরিবর্তন আনব, দেশের কল্যাণ করব।” তিনি জানান, সেই লক্ষ্যেই ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে এবং ইনশাআল্লাহ বিএনপি নির্বাচিত হলে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, জনগণের কাছে বিএনপিকে পৌঁছে দিতে হবে। “একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে আপনাদের মানুষের সঙ্গে মিশতে হবে, কথা বলতে হবে। বসে থাকলে চলবে না,” বলেন তিনি।বিএনপির দায়িত্ব ও করণীয় তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, “এখন আমাদের বড় দায়িত্ব হলো বিএনপির প্রতিটি পরিকল্পনা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। শুধু দোরগোড়ায় নিয়ে গেলেই হবে না, বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।”কর্মসূচিতে বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।